JanaSoftR
  • সপ্তাহে কতবার যৌনমিলনে আগ্রহী সুন্দরীরা: একটি সমীক্ষা

  • এই নতুন নেশাতেই মজছে স্কুল পড়ুয়ারা, চিন্তায় অভিভাবকরা

  • ট্রেনে একঘন্টায় কলকাতা থেকে দিল্লি!

  • মরুভূমি হয়ে যাবে পাকিস্তান, সিন্ধু অববাহিকায় বাঁধ নির্মাণ শুরু, প্রবল চাপে পাকিস্তান

Sunday, 30 August 2026

ঢাকায় আরও দুই রুটে মেট্রোরেল!

 

ঢাকায় আরও দুই রুটে মেট্রোরেল, ব্যয় ছাড়াচ্ছে ২ লাখ কোটি টাকা



ঢাকার আরও দুটি রুটে মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে যাচ্ছে। শুরুতে এই দুই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এখন সংশোধিত প্রস্তাবে মোট ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। বাড়তি এই ব্যয়ের প্রস্তাব বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রকল্প দুটির একটি হলো এমআরটি লাইন-১, যার মাধ্যমে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত অংশটি উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ এই রুটে পাতাল ও উড়াল—দুই ধরনের ব্যবস্থাই থাকবে।

অন্য প্রকল্পটি হলো এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)। সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত এই মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পেও পাতাল ও উড়ালপথের সমন্বয় থাকবে।

ঢাকার মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, বিস্তারিত নকশায় পরিবর্তন, নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং বিভিন্ন কারিগরি পরিবর্তনের কারণেই ব্যয় এতটা বেড়েছে।

২০১৯ সালে এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্প নেওয়া হয়। বর্তমানে ডিপো নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলছে। এর মধ্যেই প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর জন্য সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (আরডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে ডিএমটিসিএল।

দুটি প্রকল্পেই অর্থায়ন করছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকা। ব্যয় কমানোর বিষয়টি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে জাইকার সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা হয়।

গত ২৪ মে প্রকল্পের ব্যয় কমানোর সম্ভাবনা যাচাই করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শামীম জেড বসুনিয়ার নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়। গত জুলাইয়ে কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, কারিগরি কমিটি প্রাথমিক প্রস্তাবের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি ব্যয়ের বিষয়টিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছে। এরপরই বাড়তি ব্যয়ের অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়াও অতিরিক্ত ব্যয়ের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, ডলারের মূল্য প্রায় ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি, নকশায় পরিবর্তনের কারণে কাজের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং সরকারের ভ্যাট-কর বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়েছে।

তাঁর মতে, ঢাকার জন্য মেট্রোরেল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ব্যয় বেশি মনে হলে সরকার চাইলে অন্য ঋণদাতার সন্ধান করতে পারে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে যত দেরি হবে, ব্যয় আরও বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Sunday, 17 March 2024

Lok Sabha Election 2024 'প্রার্থী হবেন না' প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিত্‍ গাঙ্গুলিকে নতুন পরামর্শ কার?

 


'এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন।' 

প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে তমলুক থেকে ভোটে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানালেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। রবিবার নিজের X হ্যান্ডলে প্রাক্তন বিচারপতিকে এই অনুরোধ জানিয়ে রবিবার সকালে এই পোস্টটি করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।




'শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ। আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত। ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে। বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত। অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না তমলুকে।'

সঙ্গে তিনি আরও লিখেছেন, 'তমলুকে তৃণমূল জিতবে। দু'মাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে। যে আপনাকে তমলুক নিয়ে যাচ্ছে, সেও আপনাকে হারাবে। তার দলে অন্য বড় নাম সে সহ্য করতে পারে না, বাড়তে দেবে না। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। শুভানুধ্যায়ী হিসেবে ভাবতে বললাম।'

উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায় BJP-তে যোগ দিয়েছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁর তমুলক (Tamluk) কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। গত রবিবার ব্রিগেড সমাবেশ থেকে তমলুকের প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা হয়েছে দেবাংশু ভট্টাচার্যের।

কুণালের এমন অনুরোধের অন্তরাল থেকে নিশানা যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তা বুঝতে কারও অসুবিধা হয়নি। যদিও এখনও বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে কারও নাম ঘোষণা করেননি। 

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Thursday, 21 December 2017

বিল গেটসকে অনুপ্রাণিত করল অক্ষয় কুমারের হিন্দি ছবি ‘টয়লেট: আ লাভ স্টোরি’



এবার বলিউডে মজলেন বিল গেটস। মাইক্রোসফ্টের সহ প্রতিষ্ঠাতা মঙ্গলবার নিজমুখে স্বীকার করলেন হিন্দি ছবি ‘টয়লেট: আ লাভ স্টোরি’ তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি নিজেই বিশ্বের বহু মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর কাজের জন্যে উপকৃত হাজার হাজার মানুষ। সেই বিল গেটসই মঙ্গলবার নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে সাতটি ট্যুইট শেয়ার করলেন তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে।

তাঁর পছন্দের তালিকায় একদিকে যেমন রয়েছে এডওয়ার্ডো সানশেজের স্নাতক হওয়ার গল্প তেমনই রয়েছে ভূটান ও মালদ্বীপের নানা কাহিনী। সেই তালিকাতেই দু’নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে অক্ষয় কুমার অভিনীত ছবিটি। ট্যুইটে তিনি লেখেন, ‘এই তালিকার ঘটনাগুলি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে, এবং আগামীদিনে জন্যে আশাবাদী করে তুলেছে।’ ‘টয়লেট: আ লাভ স্টোরি’ সম্পর্কে বিল গেটস বলেছেন, ‘ভারতের স্যানিটেশন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে দর্শকদের শিক্ষিত করেছে।’

আর ঠিক কোন কোন ঘটনা ২০১৭ সালে বিল গেটসকে অনুপ্রাণিত করল, রইল তারই এক ঝলক...
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Wednesday, 20 December 2017

বহুতল থেকে রহস্যজনক ভাবে অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার তরুণীর মৃতদেহ



বহুতল থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক তরুণীর৷ ঘটনাস্থল মুম্বইয়ের জনবহুল এলাকা মালওয়ানি থেকে উদ্ধার হয়েছে এই দেহ৷ রহস্যজনক ভাবে অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে তরুণীর মৃতদেহ৷ আত্মহত্যার প্ররোচনা না কি খুন সেটির তদন্ত করছে পুলিশ৷

জানা গিয়েছে, বন্ধুদের সঙ্গে একটি বন্ধুর বাড়িতে পার্টি করছিলেন ওই তরুণী৷ সারারাত ধরে পার্টি করার পর সেই বাড়িতেই বন্ধুদের সঙ্গে থেকে যান ওই তরুণী৷ পরদিন সকালবেলা বেশ কিছুটা সময় কেটে গেলে পর তাকে খুঁজে না পেয়ে তার বন্ধুরাই এদিক ওদিক খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেন৷ এরপর ওই আবাসনের দোতলা থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় তরুণীকে উদ্ধার করে তার বন্ধুরাই৷ মৃত ওই তরুণীর নাম অর্পিতা তেওয়ারি৷

পুলিশ সূত্রে খবর, সেই পার্টিতে তার চার বন্ধুবান্ধব ছাড়াও উপস্থিত ছিল তরুণীর প্রেমিকও৷ পুলিশ তাদের প্রত্যেককেই আটক করেছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য৷ এই ঘটনাটি আত্মহত্যা না কি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

'এই ব্রহ্মাণ্ডে আমরা একা নই' !!!



‘এই ব্রহ্মাণ্ডে আমরা একা নই। এটা আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি।’ সোমবার রাতে এমনটাই জানালেন পেন্টাগনের গোপন ইউএফও প্রজেক্টের দায়িত্বে থাকা এক প্রাক্তন অফিসার লুই এলিজোন্ডো। সম্প্রতি, পেন্টাগনের গোপন প্রজেক্টের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। পাঁচ বছর ধরে সরকারি ভাবে ওই অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা।

ওই প্রজেক্টের গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিষয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এলিজোন্ডো। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের হয়ে তিনি কথা বলতে পারেন না, তবে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করে যে প্রমাণ হাতে এসেছে তাতে এলিয়েন এয়ারক্রাফটের পৃথিবীতে আগমনের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি জানান, এমন এয়ারক্রাফটের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যা আমেরিকার কাছে নেই, এমনকি অন্য কোনও দেশের কাছেও থাকার কথা নয়। ওই প্রজেক্টে গবেষকদের কাজ ছিল, যে সন্দেহজনক এয়ারক্রাফট দেখা গিয়েছে তা আসলে কি, সেটা খুঁজে বের করা। ওই ধরনের যান পৃথিবীর জন্য ক্ষতিকারক কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছিল।

পেন্টাগনের প্রাক্তন ওই অফিসার জানান, একাধিক অস্বাভাবিক এয়ারক্রাফটের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এগুলি ‘এরোডায়নামিক্স’-এর নিয়মকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে ঢুকে পড়েছিল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে। তাঁর দাবি, এগুলিতে কোনও ‘প্রপালসান’ ছিল না। আর এর পিছনে কোনও প্রাণীর চালিত শক্তি ছিল বলেও অনুমান তাঁর।

নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, পেন্টাগনের ওই প্রজেক্টে এমন দুটি ভিডিও দেখা গিয়েছে, যেখানে এক মার্কিন পাইলট কোনও সন্দেহনজক বস্তু দেখতে পেয়েছিলেন।

কোটি কোটি ডলার খরচ করে এই গবেষণা চালানো হয়েছে বলে দিন দুয়েক আগে স্বীকার করেছে পেন্টাগন। ২০০৭ সালে এটি শুরু হয় এবং ২০১২ সালে বন্ধ হয়। হাতে গোনা কয়েকজন বাদ দিলে কেউ জানতেন না এই কর্মসূচীর কথা। ওই অভিযান প্রকল্পের নথিতে অদ্ভুত দ্রুত গতিসম্পন্ন আকাশযান ও শূন্যে ভাসতে থাকা বস্তুর কথা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’। ‘দ্য অ্যাডভানস এরোস্পেস থিয়েটার আইডেন্টিফিকেশন প্রোগ্রাম’ নামের ওই কর্মসূচি নিয়ে এক কোটি ৩০ লক্ষ পাতার গোপন নথি প্রকাশ করেছে সিআইএ।

কর্মসূচিটি অবসরে যাওয়া ডেমোক্রেট সিনেটর হ্যারি রিডের মস্তিষ্কপ্রসূত বলে জানা গিয়েছে। ওই কর্মসূচি শুরুর সময় রিড যুক্তরাষ্ট্র সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা ছিলেন। মহাকাশ গবেষণায় তাঁর বিশেষ উৎসাহ ছিল। বাজেটের ব্যবস্থাও হয়েছিল তাঁর দৌলতেই।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

আশ্রমে নাবালিকা ভক্তদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, কাঠগড়ায় স্বঘোষিত ধর্মগুরু



গুরমিত রাম রহিমের পর আরও এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর সন্ধান মিলল। ধর্মের বর্ম সামনে রেখেই যার আশ্রমে চলত অবাধে যৌনাচার। জোর করে আটকে রাখা হত নাবালিকাদের। তারপর খুশিমতো যৌনসঙ্গী হিসেবে ব্যবহার করা হত তাদের। দিল্লির রোহিনি আশ্রমে অভিযান চালিয়ে রীতিমতো সেক্স ব়্যাকেটের সন্ধান পেল পুলিশ।

রোহিনি আশ্রমের সর্বময় কর্তা বীরেন্দ্র দেব দিক্ষীত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, বছর পঁচাত্তরের এই ব্যক্তি ধর্মের নামে নিজের যৌন লালসা চরিতার্থ করে চলেছে দীর্ঘদিন। দেখেশুনে এত বয়স্ক বলে মনে হত না তাকে। রীতিমতো সুস্বাস্থ্যের অধিকারী সে। গোড়ার দিকে তার মতলব কেউ বুঝতে পারত না। নিজেকে ধর্মগুরু বলেই পরিচয় দিত সে। আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে আশ্রম খুলে সাধারণ মানুষকে আশ্রমের দিকে টেনে আনত সে। বহু অভিভাবকই তাঁদের কন্যাদের এই আশ্রমে রেখে আসতেন। ছুটির সময় ধর্মশিক্ষা পাবে মেয়েরা, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল অভিভাবকদের। কিন্তু সেই ফাঁদ পেতেই নাবালিকাদের ভোগ করত ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। অভিযোগ, স্ট্যাম্প পেপারে সে লিখিয়ে নিত যে নাবালিকারা স্বেচ্ছায় আশ্রমে এসেছে। কেউ তাদের কোনওরকম জোর করেনি। এরপরই কুকর্মে লাগানো হত তাদের। অনুগামীদের মেয়েদের আশ্রমে যোগ দেওয়ার ব্যাপারেও জোর খাটাত ওই বাবা। তারপর চলত অবাধে যৌনাচার। এক ভক্ত জানাচ্ছেন, নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়ত বাবা। তারপর নাবালিকাদের তার শরীরে তেল মালিশ করার নির্দেশ দেওয়া হত।

অভিযান চালিয়ে পুলিশ দেখে, যেভাবে আশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে তাতে নাবালিকাদের পালানোর কোনও উপায় থাকত না। ছোটছোট ঘর, গোপন কামরা, ঘোরানো সিঁড়িতে রীতিমতো গোলোকধাঁধা করে রাখা হযেছে। তার মধ্যেই ছিল গর্ভ মহল। যেখানেই কুকর্মে লিপ্ত হত বাবা। নাবালিকাদের মধ্যে কে কবে ঋতুমতী হচ্ছে তার খোঁজ রাখত বাবা। খবর মিললেই সেই কিশোরীকে তুলে আনা হত। তারপর তার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হত ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। ঋতুমতী হলেই মেয়েদের একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করানো হত। সেখানে লেখা থাকত স্বেচ্ছায় আশ্রমে থাকতে চায় তারা। সেই চুক্তিপত্রের কপি অভিভাবক ও স্থানীয় থানাতেও পাঠিয়ে দেওয়া হত। আইনের চোখে ধুলো দিয়ে এভাবেই চলত যৌনাচার। মেয়েদের দেশের বিভিন্ন শহরে পাঠিয়ে দেওয়া হত। প্রায় অসহায় অবস্থাতেই তাদের যৌন হেনস্তার শিকার হতে হত। যদিও বাবার কুকীর্তি ফাঁস করেন অভিভাবকরাই। অভিযোগ এনে তাঁরা দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তার ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে আরও এই স্বঘোষিত বাবার কীর্তি জানতে পারে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলা ভক্তদের গোলাপি শাড়ি আর সাদা ব্লাউজ ছিল পোশাক। বাবা তাদের নাম দিয়েছিল গোপিনী বা গোপিয়া। কৃষ্ণের যেরকম ষোলো হাজার গোপিনী ছিল, তারও পাশে সেই সংখ্যাক নারী থাকুক। এরকমটাই চাইত স্বঘোষিত ধর্মগুরু। সে কারণেই নাবালিকাদের জোর করে আশ্রমে রেখে দিত। চলত লীলা তথা যৌনাচার। বাবার ডেরায় তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর ওষুধ ও ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ মিলেছে। অনুমান, সেগুলি অবৈধ গর্ভপাতের কাজে লাগানো হত। দ্বাররক্ষী-সহ এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যদিও এখনও বাবার টিকির নাগাল মেলেনি।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

দেশের সেনা জওয়ানদের লড়াইকে সম্মান দিতে, জওয়ানদের ভাতা দ্বিগুণ করল মোদী সরকার



সেনা জওয়ানদের জীবন সহজ নয়। কখনও শত্রুপক্ষের গুলি তো কখনও বরফের কামড়। প্রত্যেক মুহূর্তে বাঁচার লড়াই। আর দেশের সেনা জওয়ানদের সেই লড়াইকে সম্মান দিতে এবার জওয়ানদের ভাতা দ্বিগুণ করল কেন্দ্র। এতে দেশের বীরযোদ্ধাদের উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

বর্তমানে সিয়াচেনের সেনা অফিসারদের ভাতা প্রতি মাসে ২১০০০ টাকা আর জুনিয়র অফিসারদের ১৪০০০ টাকা দেওয়া হয়। এবার অফিসারদের ভাতা বাড়িয়ে ৪২০০০ টাকা ও জুনিয়র অফিসারদের ভাতা ৩০০০০ টাকা করা হবে। এছাড়া নৌসেনা অফিসারদের সাবমেরিন ভাতা ছিল সর্বোচ্চ ২১০০০ টাকা প্রতি মাসে। সর্বনিম্ন ১৩,৫০০ টাকা। র‍্যাংকের উপর ভিত্তি করে এই ভাতা নির্ধারিত হয়। এবার সাবমেরিনের সব অফিসারদের মাসে ২৫০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। নাবিকদের ভাতা হবে ১৭,৫০০ টাকা।

বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেনে পোস্টিং হওয়াটা জওয়ানদের জন্য চ্যালেঞ্জ। এবার পার্বত্য অঞ্চলে থাকা সেনা অফিসারদের ভাতা ১৬,৮০০ থেকে বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা করা হয় আর জুনিয়র অফিসারদের ক্ষেত্রে এই ভাতা ১১,২০০ টাকা থেকে ১৭,৩০০ টাকা করা হবে।

কমান্ডো এবং স্পেশাল ফোর্সের জওয়ানদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়। এরা নিজের জীবন দিয়ে লড়াই করতে পিছপা হয় না। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকেও এরাই অংশ নিয়েছিল। এবার থেকে স্পেশাল ফোর্সের সব অফিসারদের মাসে ২৫০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। ১৩,০০০ থেকে একধাক্কায় এতটা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া পাহাড়ি এলাকায় থাকলে ‘রাম’-এর জন্য মাসে ২৪০ টাকা ভাতা দেওয়া হয়। সেই ভাতা বাড়িয়ে ৩৬০ টাকা করা হচ্ছে। এছাড়া অফিসারেরা পাবেন পোশাক ভাতা ২০০০০ টাকা। শহিদ হলে পরিবারকে শেষকৃত্যের জন্য ৬,০০০ টাকা দেওয়া হত, এবার সেটা বাড়িয়ে ৯,০০০ টাকা দেওয়া হবে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Tuesday, 19 December 2017

শিখদের জোর জবরদস্তি করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে



পাকিস্তানে নিরাপদ নন শিখরা? সেদেশের বাসিন্দা এক শিখ নেতার অভিযোগ কিন্তু সেই ইঙ্গিতই করছে৷ পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলার বাসিন্দা ওই নেতার অভিযোগ এক পুলিশকর্তা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন৷ শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে জবরদস্তিও করা হচ্ছে তাদের সঙ্গে৷

খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি শিখ সংগঠনের নেতা ফরিদ চাঁদ সিং এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ এই বিষয়ে তাদের পাশে স্থানীয় প্রশাসনও নেই বলে অভিযোগ তাঁর৷ তাল তেহশিলের পুলিশ কর্তা ইয়াকুব খানের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ এনেছেন তিনি৷ ফরিদ জানাচ্ছেন, সংখ্যালঘুদের সমস্যা মেটাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন ইয়াকুব৷ জেলা কমিশনারের কাছে এই মর্মে একটি লিকিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ফরিদ৷ জোর করে ধর্মান্তরিত করার ইস্যুতে আইনী লড়াইয়ে নামতে হলেও তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ওই শিখ নেতা৷ তাঁকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদপত্র এই প্রতিবেদটি প্রকাশ করেছে৷

ফরিদের অভিযোগ, ১৯০১ সাল থেকে হাঙ্গুতে বাস করছে পশতু ভাষাভাষি শিখরা৷ ধর্মীয় বা অন্য কোনও কারমে মুসলিমদের সঙ্গে কোনও সংঘাতে জড়াননি তাঁরা৷ তবে কেন ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য তাদের জোর করা হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা৷

তাঁর আরও বক্তব্য দেশের সংবিধান যেখানে নিজ নিজ ধর্মীয় আচরণ স্বাধীনভাবে যাপন করার অধিকার দিয়েছে৷ সেখানে প্রশাসনের অধিকার নেই তাদের সেই ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার বলে মত তাঁর৷  তবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেনি স্থানীয় প্রশাসন৷ তাদের মতে এরকম কোনও ঘটনা বা এরকম কোনও অভিযোগ এখনও জমা পড়েনি৷ জমা পড়লে অবশ্যই তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

শরিয়তে নাক গলাচ্ছেন 'মুসলিমদের বিদ্বেষী মোদি', তিন তালাক নিয়ে ক্ষুব্ধ মুসলিম মৌলবিরা



সুপ্রিম কোর্ট অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও পাশ হয়েছে তিন তালাক বিল। এবার তা নিয়েই ঘোর অনাস্থা প্রকাশ করলেন মৌলবিরা। তাঁদের দাবি, এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার অর্থ ইসলামিক আইনেই মোদি সরকারের নাক গলানো।

তাৎক্ষণিক তিন তালাককে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালাত। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সুবিচার পেয়েছিল মুসলিম মহিলা সমাজ। তারপর এই প্রথা নিষিদ্ধ করতে বিল প্রণয়ন করা হয়। সম্প্রতি সংসদের উভয় কক্ষেই সেই বিল পেশ করা হয়েছে। একাধিক রাজ্য তাতে সমর্থনও জানিয়েছে। কিন্তু মৌলবিদের বক্তব্য, মুসলাম ধর্মগুরুদের সঙ্গে আলোচনা না করে এই বিল পেশ করার অর্থ, ইসলামিক আইনকেই ক্ষুণ্ণ করা। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন আগ্রার মৌলবি মুফতি মহম্মদ মুদাসির খান কাদেরি। আগ্রার এক ইসলামিক ধর্ম সংগঠনের সম্পাদক তিনি। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, “মোদি সরকার আসলে শরিয়তে হস্তক্ষেপ করছে। যদি বিল আনতেই হয়, তাহলে আগে মুসলিম ধর্মগুরুদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল।” তাঁর মত, এই বিল যদি সরকার আইনে পরিণত করে তবে তা মুসলিম বিরোধী পদক্ষেপ হিসেবেই পরিগণিত হবে। কেননা মুসলিমদের স্বার্থে যে বিল তৈরি করা হয়েছে, সেখানে মুসলিম ধর্মগুরুদেরই ডাকা হয়নি। তাঁর দাবি, মোদি সরকার যে মুসলিমদের বিদ্বেষী এ ঘটনা তারই প্রমাণ দিচ্ছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তিন তালাক বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই নানা চাপানউতোর চলছে। ভারতীয় মুসলিম বিকাশ পরিষদের তরফে এই বিলকে স্বাগত জানানো হয়েছে। তবে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিষয়টিকে মোদি সরকার যেন রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যবহার না করে। তাঁদের দাবি, এখনও পর্যন্ত যা অগ্রগতি তাতে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। মুসলিমদের জনজীবন উন্নত করার থেকেই হিন্দুদের সন্তুষ্ট করে ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য বলে ধরা দিচ্ছে। অভিযোগ এমনটাই। এই অভিযোগেই সোচ্চার সমাজকর্মী আইনজীবী মহম্মদ আরিফ। তাঁর দাবি, ২০১৯ নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিন তালাক বিলকে একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখছে বিজেপি। এই পদক্ষেপই যদি কংগ্রেস নিত তবে তা তোষণ বলে হইচই পড়ে যেত। বেশিরভাগ মহলই বিল নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। সকলেরই দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি এই আইন তৈরি হতে চলেছে। মুসলিম জনজাতির মান উন্নয়নের থেকেও ‘পলিটিক্যাল স্টান্ট’ হিসেবেই এই পদক্ষেপকে দেখছে মুসলিম সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Sunday, 17 December 2017

উত্তর-পূর্ব ভারতে সড়ক, বিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, বিমানবন্দর সম্প্রসারণ, ৯০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর



মিজোরাম ও মেঘালয় সফরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ তিনি উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পগুলির উদ্বোধন করলেন।

৬০ মেগাওয়াট টিউরিয়াল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন হওয়ার ফলে সিকিম ও ত্রিপুরার পর উত্তর-পূর্ব ভারতের তৃতীয় রাজ্য হিসেবে মিজোরামে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত হল। এই প্রকল্পে বছরে ২৫১ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৯৮ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৯ বছর পরে আজ সেটার উদ্বোধন হল। মিজোরামে এই প্রথম কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হল।

এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধের সাহায্যে প্রত্যন্ত গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা, মাছ চাষ, পরিবেশ-বান্ধব পর্যটন উন্নত করা যাবে এবং একইসঙ্গে এই অঞ্চলের জলের সমস্যাও মিটবে।

পশ্চিম মেঘালয়ের তুরা থেকে রাজধানী শিলঙ পর্যন্ত দু-লেনবিশিষ্ট ২৭১ কিমি রাস্তারও উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাস্তাঘাটের উন্নতির জন্য ৯০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।

মিজোরামের রাজধানী আইজলে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাক্ট ইস্ট নীতির সুফল হিসেবে মিজোরাম শীঘ্রই কম্বোডিয়া, মায়ানমার, ভিয়েতনামের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির প্রবেশদ্বার হয়ে উঠবে। কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রোজেক্টের মাধ্যমে আইজলের সঙ্গে মায়ানমারের সিটবি বন্দরকে যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি উপকৃত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছে কেন্দ্র। গত তিন বছরে ৩,৮০০ কিমি জাতীয় সড়কের জন্য ৩২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ১,২০০ কিমি রাস্তা তৈরি হয়ে গিয়েছে। বাঁশকে গাছের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতের কৃষকদের উপকার হবে।

শিলংয়ে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মেঘালয়ের গ্রামগুলির সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং ১০০টি জনবসিতর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য গত সাড়ে তিন বছরে কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনায় ৪৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ইউপিএ সরকারের আমলে ২০১০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল, তার চেয়ে তিন গুণ বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে এনডিএ আমলে। শিলঙ বিমানবন্দর সম্প্রসারণের ফলে শীঘ্রই এখানে বোয়িং ৭৩৭ ও এয়ারবাস ৩২০ বিমান নামবে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

সন্তান প্রসবের পর পায়ুছিদ্র সেলাই!!! চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় জীবন সংশয়ে পরে যায় প্রসূতির



সন্তান প্রসবের পর প্রসূতির পায়ুছিদ্র সেলাই! চিকিৎসকের মারাত্মক ভূলে প্রাণ যায় যায় অবস্থা প্রসূতির। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছয় রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে। পরে সুপারের আশ্বাসে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। জানা গিয়েছে, সন্তান প্রসবের পর প্রসূতির পায়ুছিদ্র সেলাই করে ফেলে হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ। ফলে পেট ফুলতে থাকে রোগিনীর। চিকিৎসকের এই ভুল চিকিৎসায় জীবন সংশয়ে পরে যায় প্রসূতি। তাঁকে ঘিরে বুধবার উত্তেজনা ছড়ায় রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে। হাসপাতাল সুপার সুবোধ মণ্ডলের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

মুরারই থানার ধৃতরা গ্রামের পারভিন বিবি প্রসবযন্ত্রনা নিয়ে রামপুরহাট হাসপাতালে ভরতি হন। বছর খানেক আগে নলহাটির নামুপাড়ায় লালাচাঁদ শেখের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। গত পনেরো দিন আগে পেটের ব্যথা নিয়ে বাপের বাড়ির কাছে মুরারই গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।

পরদিন তাকে রামপুরহাট স্বাস্থ্য  জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফরসেফ করে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন পারভীন। অভিযোগ, কর্তব্যরত চিকিৎসক অজয় মণ্ডল প্রসূতির ফরসেফ করার পর ভুলবশত পায়ুনালী ও মুত্রনালী এক সঙ্গে সেলাই করে ফেলেন। এরপরেই ওই প্রসূতি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পেট ফুলে যায়। পুনরায় তাকে মুরারই গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরিবারকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ভুল চিকিৎসার ফলে মহিলার অবস্থা ভাল নয়। সেখান থেকে প্রসূতিকে রামপুরহাটে পাঠানো হয়। এরপর বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

বর্ধমান হাসপাতালের চিকিৎসক অমিতাভ বড়াল ভুল চিকিৎসার কথা জানিয়ে দেন পরিবারকে। সেখান থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, পেটে সংক্রমণ হয়েছে। সেটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তা না শোকানো পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা যাবে না। ততদিন বাড়িতে রেখে চিকিৎসা চালাতে হবে। সেই মর্মে গত শুক্রবার বাড়ি নিয়ে আসা হয় পারভিনকে। বাড়িতে ফিরেই ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন পারভিন।

বুধবার তাকে রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি না নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বাইরে ফেলে রাখেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল সুপার ওই প্রসূতিকে কলকাতার পিজি হাসপাতালে পাঠানোর আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

লালচাঁদ বলেন, “চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় আমার স্ত্রীর অবস্থা এখন সংকটজনক। নিজের দোষ ঢাকতে চিকিৎসক অজয় মণ্ডল আমাদের বিভ্রান্ত করেছেন”। হাসপাতাল সুপার সুবোধ মণ্ডল বলেন, “চিকিৎসার ক্ষেত্রে কিছুটা ভুল হয়েছে। আমরা তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যবস্থা করব। দুদিন রামপুরহাটে রেখে শুক্রবার কলকাতার পিজিতে
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করতে , এমডিআর চার্চ দিতে লাগবেনা আর


দু’হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেটস বা এমডিআর  ব্যাংকগুলিকে মিটিয়ে দেবে খোদ কেন্দ্রই। নোটবন্দীর এক বছর পেরিয়ে আসার পরও ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করতে শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ী অথবা ব্যাংকের উপর কোনও বোঝা থাকবে না। পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) যন্ত্রে কার্ড ঘষে কেনাকাটার জন্য দোকানগুলিকে এইজন্য  টাকা ব্যাংকের কাছে জমা দিতে হয়। যাতে ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা আও বেশি করে এভাবে লেনদেন করে তাই আপাতত কেন্দ্রের এই খরচ বহন করবে৷
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, ১ জানুয়ারি থেকে দু’বছরের জন্য এই সুবিধা মিলবে। এটি  প্রযোজ্য হবে যে কোনও ডেবিট কার্ড, ভীম ইউপিআই অ্যাপ এবং আধারের মাধ্যমে করা লেনদেনগুলির ক্ষেত্রে। এ জন্য কেন্দ্রের ভাড়ার  থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা যাবে।
মন্ত্রী জানান, ডেবিট কার্ড থাকলেও, বহু ক্ষেত্রে কম অঙ্কের লেনদেনে মানুষ নগদে টাকা মেটাতেই চান৷  অথচ দেখা যায় এইরকম ছোট লেনদেনগুলি মিলে মোট লেনদেনের অনেকটা জুড়ে রয়েছে। তাই সেই সব মানুষকে ডিজিটাল পরিষেবার আওতায় আনতেই এমন উদ্যোগ৷
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

টাকা ধার নিয়ে সময়মতো দিতে পারেনি, যুবতির গোপনাঙ্গে হাত দিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী



টাকা ধার নিয়ে সময়মতো দিতে পারেনি। এটাই নাকি অপরাধ। আর তাই দুষ্কৃতীদের নিয়ে এসে পরিবারের উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠল। বাবার সামনেই দুই মেয়ের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। বড় মেয়ের গোপনাঙ্গে হাত দিয়ে কটূক্তিও করা হয়। থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। দ্বারস্থ হয়েছে আদালতের। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা থানার সোহাই-শ্বেতপুরের মির্জাপুর গ্রামের।

কিছুদিন আগে প্রতিবেশী বৃহস্পতি মণ্ডলের কাছ থেকে তিরিশ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন সুমনা মণ্ডল (নাম পরিবর্তিত)। সুদে নেওয়া টাকা শোধ করতে দেরি হয়। তাও ১০ হাজার টাকা মিটিয়ে দিয়েছিলেন। গত সপ্তাহে বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, দিতে পারেননি। ডাকা হয় সালিশিসভা। সভায় সুমনার পরিবারের কেউ যায়নি। টাকাও মেটাতে পারেনি। অভিযোগ, সোমবার রাতে (১১ ডিসেম্বর) তাদের বাড়িতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের নিয়ে চড়াও হয় বৃহস্পতি। সে সময় সুমনা বাড়ি ছিলেন না। তিনি টাকা জোগাড় করতে বেরিয়েছিলেন। বাড়ি ছিলেন তাঁর স্বামী ও দুই মেয়ে।

সুমনার অভিযোগ, “বৃহস্পতি ও অন্য দুষ্কৃতীরা বাড়ি ঢুকেই অকথ্য গালিগালাজ শুরু করে। টাকা মেটানোর জন্য হুমকি দেয়। আমি টাকা আনতেই গিয়েছিলাম। মেয়ে ফোন করে। বলে, মা তাড়াতাড়ি এসো। ওরা মেরে ফেলবে। আমার স্বামীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মাথাও ফাটিয়ে দেয়। সাদা কাগজে সই করিয়ে নেয়। বড় মেয়ে আটকাতে যায়। ওরা মেয়েকে বলে,  তোর মা অসভ্য। তুই অসভ্য। কলেজে পড়িস না। ..... করিস। তোর মা এখানে থাকলে ওখানে বিচুটি পাতা ঘষে দিতাম। এরপর আমার মেয়ের গোপনাঙ্গে হাত দিয়ে বলে, তোর এটা...। ছোটো মেয়েরও শ্লীলতাহানি হয়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা আসে। তখন পালিয়ে যায় ওরা।”

দেগঙ্গা থানায় দুষ্কৃতী জলধর মণ্ডল, বৃহস্পতি সহ ন’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় মণ্ডল পরিবার। কিন্তু, সুমনার অভিযোগ, “দুষ্কৃতীরা শাসকদলের মদতপুষ্ট হওয়ায় পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।” এরপর বৃহস্পতিবার ওই পরিবার বারাসত আদালতের দ্বারস্থ হয়। আদালতের নির্দেশে সেদিনই নির্যাতিতা যুবতির গোপন জবানবন্দী নেওয়া হয়। এদিকে, আতঙ্ক ও লজ্জায় গতকাল আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই যুবতি। স্থানীয়রাই তাকে উদ্ধার করে। বিচারের আশায় গতকালই সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয় সুমনার পরিবার। সুমনার প্রশ্ন, “প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না ? আমি যখন থানায় গিয়েছিলাম, তখন বড়বাবু বলেন, টাকা তছরূপ করছেন। আমি জানি এটা। তাহলে ওনাকে কি কেউ আগে থেকে এবিষয়ে জানিয়ে রেখেছে ?" এবিষয়ে দেগঙ্গা থানার তরফে কিছু বলা হয়নি।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

লভ জিহাদে রাশ টানতে, নয়া নির্দেশিকা রাজস্থান হাইকোর্টের



ভিন্‌ ধর্মে বিয়ে করতে গেলে নিতে হবে জেলাশাসকের অনুমতি। লভ জিহাদে ‘রাশ টানতে’ নয়া নির্দেশিকা রাজস্থান হাইকোর্টের।

শুক্রবার লভ জিহাদ নিয়ে এক মামলার শুনানিতে এই নির্দেশিকা ঘোষণা করেন রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারপতি জিকে ব্যাস।

চিরাগ সিঙ্গভি নামে এক ব্যক্তি রাজস্থান হাইকোর্টে মামলা করেন, তাঁর বোন পায়েলকে মগজধোলাই করে ধর্মান্তরণ করিয়ে এক মুসলিম যুবক বিয়ে করেছেন। তাঁর বোন পায়েলের নতুন নামকরণ হয়েছে আরিফা। এর পর গত ২৮ নভেম্বর রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারপতি জিকে ব্যাস এবং বিনীত মাথুর এক নিরপেক্ষ অফিসারকে রাজ্যে ধর্মান্তরণ করিয়ে বিয়ে সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন।

ওই অফিসারের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পরেই রাজ্যে ধর্মান্তরণের পর বিয়ের জন্য একটি ১০ পয়েন্টের গাইডলাইন দেয় রাজস্থান হাইকোর্ট।

তাতে বলা রয়েছে, যে বা যাঁরা ধর্মান্তকরণ করাতে ইচ্ছুক তাঁদের কমপক্ষে ৩০ দিন আগে জেলাশাসককে জানাতে হবে। জেলাশাসকের নির্দেশ মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে হবে। সব কিছু খতিয়ে দেখবেন জেলাশাসক। যদি দেখা যায়, বলপূর্বক বা মগজধোলাই করা হয়নি এবং ওই মহিলা বা পুরুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন— তবেই একমাত্র জেলাশাসক ধর্মান্তরণের অনুমতি দেবেন। আর আইনত ধর্মান্তরণের এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁকে বিয়েটা সেরে ফেলতে হবে।

কেউ যদি হাইকোর্টের এই গাইডলাইন না মেনে ধর্মান্তরণ করান এবং বিয়ে করেন, তা হলে তার বিয়ে আইনত স্বীকৃতি পাবে না। গাইডলাইন না মানার শাস্তি পাবেন ওই ব্যক্তি এবং কোনও সংস্থা এর জন্য দায়ী থাকলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি ব্যাস।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

নোট বাতিলের পদক্ষেপ অত্যন্ত বলিষ্ঠ, এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে ভারতে, ভূয়সী প্রশংসা IMF এর



নোট বাতিল নিয়ে দেশে কম বিতর্ক হয়নি। তা সত্ত্বেও মোদি সরকারের সিদ্ধান্তের পাশেই আবারও দাঁড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ)। তাদের বিশ্বাস, এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে ভারতে। ভারতের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপরেই দাড়িয়ে রয়েছে। আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দা নোট বাতিল ও জিএসটি-র ভূয়সী প্রশংসা আগেই করেন। দুই পদক্ষেপ অত্যন্ত বলিষ্ঠ বলেও উল্লেখ করে আইএমএফ। নোট বাতিল ও জিএসটি-র ফলে অর্থনীতি যে সাময়িক শ্লথ হবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না বলে এবার উল্লেখ করলেন আইএমএফ-এর অন্যতম কর্তা উইলিয়াম মারে। তাঁর দাবি, “কয়েকমাস আগে ভারত সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তার প্রভাব ধীরে ধীরে বাজারে পড়তে বাধ্য।” বাজারে নোট বাতিলের প্রভাব সাময়িকভাবে পড়লেও তা কেটে যাবে বলে আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গিয়েছে মারের গলায়। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আইএমএফের তরফে মারে স্বীকার করে নেন, “তথ্যে ভুল নেই।” তিনি বলেন, “মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে ভারতের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপরে দাঁড়িয়ে।”

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক রিপোর্ট প্রকাশ করে আইএমএফ জানায়, ভারতে বৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়েছে। আর এ জন্য ভারত সরকারের নোট বাতিল ও জিএসটি চালু করাকেই দায়ী করে আইএমএফ। আগের অবস্থান থেকে পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার আগেই জানায়, ভারতের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপরই দাড়িয়ে রয়েছে। ফের সেই বক্তব্যেই সিলমোহর দিল আইএমএফ। অন্যদিকে, দেশের জনপ্রিয়তম নেতা এখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনপ্রিয়তায় তাঁর আশেপাশে কেউ দাঁড়াতেই পারবে না, এমনটাই বলছে একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা। ২০১৯ লোকসভা ভোটে মোদিকে দেখে পদ্মফুলে ভোট দেবেন দেশের ৭৯% নাগরিক, জানাচ্ছে ওই সমীক্ষা। নোট বাতিল থেকে শুরু, তারপর আধারকে বাধ্যতামূলক করা, বিনা পরিকাঠামোয় জিএসটি চালু- প্রধানমন্ত্রীর একের পর এক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের একাংশের মানুষ প্রতিবাদে সরব হন। বিরোধীরাও শোরগোল জুড়ে দেন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। দেশজুড়ে ধর্মীয় সংকীর্ণতার জিগির উঠিয়ে আসন্ন লোকসভা ভোটে ফায়দা লুটতে চাইছে বিজেপি, অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। কিন্তু এই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এখনও নোট বাতিল বা সচিত্র পরিচয়পত্র হিসাবে আধারকে বাধ্যতামূলক করার পদক্ষেপকে সদর্থক হিসাবেই দেখছেন অধিকাংশ দেশবাসী। অবিলম্বে ভোট হলে দেশের চারভাগের মধ্যে তিনভাগেরও বেশি মানুষ মোদিকে ভোট দেবেন বলে ওই সমীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

২০১৯ লোকসভা ভোটে মোদিকেই ভোট দেবেন ৭৯% দেশবাসী, এমনটাই বলছে একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা



দেশের জনপ্রিয়তম নেতা এখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনপ্রিয়তায় তাঁর আশেপাশে কেউ দাঁড়াতেই পারবে না, এমনটাই বলছে একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা। ২০১৯ লোকসভা ভোটে মোদিকে দেখে পদ্মফুলে ভোট দেবেন দেশের ৭৯% নাগরিক, জানাচ্ছে ওই সমীক্ষা।

নোট বাতিল থেকে শুরু, তারপর আধারকে বাধ্যতামূলক করা, বিনা পরিকাঠামোয় জিএসটি চালু- প্রধানমন্ত্রীর একের পর এক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের একাংশের মানুষ প্রতিবাদে সরব হন। বিরোধীরাও শোরগোল জুড়ে দেন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। দেশজুড়ে ধর্মীয় সংকীর্ণতার জিগির উঠিয়ে আসন্ন লোকসভা ভোটে ফায়দা লুটতে চাইছে বিজেপি, অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। কিন্তু এই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এখনও নোট বাতিল বা সচিত্র পরিচয়পত্র হিসাবে আধারকে বাধ্যতামূলক করার পদক্ষেপকে সদর্থক হিসাবেই দেখছেন অধিকাংশ দেশবাসী। অবিলম্বে ভোট হলে দেশের চারভাগের মধ্যে তিনভাগেরও বেশি মানুষ মোদিকে ভোট দেবেন বলে ওই সমীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম নয়টি ভাষায় অনলাইনে এই সমীক্ষা চালায় ১২-১৫ ডিসেম্বর। ৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই সমীক্ষায় নিজেদের মতামত জানান। মাত্র ২০% মানুষ বলছেন, তাঁরা কংগ্রেসের নয়া প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীকে ভোট দেবেন। শনিবার সভাপতি পদে অভিষেকের আগে রাহুলের প্রতি এই বার্তা যথেষ্ট হতাশাব্যঞ্জক বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কংগ্রেসের জন্য আরও খারাপ খবর হল, ৭৩% মানুষই বিজেপির বিকল্প হিসাবে কংগ্রেসকে দেখতে চান না। তাঁরা মনেই করেন না যে কংগ্রেস দেশ চালাতে পারে। ৩৭% মানুষ জানিয়েছেন, গান্ধী পরিবারের বাইরে কাউকে সভাপতি পদে বসালে তাঁরা কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার কথা ভাববেন।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Saturday, 16 December 2017

প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ট মা, দেখে ফেলায় মায়ের হাতে খুন ছয় বছরের মেয়ে



প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ট অবস্থায় দেখে ফেলেছিল ছয় বছরের মেয়েটি। বাবাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা সে জানিয়েছিল তার মাকে। শেষে সেই 'অপরাধেই' মায়ের হাতে খুন হতে হল সেই একরত্তি শিশুটিকে। বুধবার রাতে এমনই এক ঘটনা ঘটে পূর্ব দিল্লির গাজিপুরে।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনাটি যাতে জানাজানি না হয়, তাই প্রেমিককে নিয়ে মেয়ে খুন করে ওই মহিলা। গলার নলি কেটে খুন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মা ও তার প্রেমিক সুধীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, ২৯ বছরের ওই মহিলার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী ঠেলাগাড়ি চালান। অনেক দিন ধরেই সুধীরের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। ওই এলাকাতেই থাকত সে। দিনমজুরের কাজ করে সে। প্রতিনিয়তই মহিলার বাড়িতে তাকে দেখা যেত।

পুলিশ সূত্রে, বুধবার রাতে মহিলার স্বামী মদ্যপান করতে কাছে কোথাও গিয়েছিলেন। বাড়িতে দুই ছেলে টিভি দেখছিল। সেই সময় বাড়িতে আসে সুধীর। তাঁদের দু’জনকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখতে পায় তার মেয়ে। পরে তার বাবাকে জানিয়ে দেবে বলে জানায় ওই মেয়েটি।

এর পরই সুখেনের সঙ্গে ছক কষে খুন করা হয় মেয়েটিকে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সুধীর। মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না বলে দাবি করে পড়শিদের কাছে বিষয়টি জানান মহিলা। শেষে জানানো হয় পুলিশকে। এরপর পাশের বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হয় মেয়েটির রক্তাক্ত দেহ। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিত্সকরা।

এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘তদন্তের প্রথম দিকে অভিযুক্ত মহিলা চুপ করে থাকলেও অবশেষে জেরায় খুনের কথা স্বীকার করে।’
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে, কোনও ব্যবস্থা নিল না থানা



কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তর নাম রাজা সর্দার। এর আগেও এলাকার দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, মগরাহাট থানায় অভিযোগ জানালেও তারা এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।

ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। ওইদিন কিশোরীর বাবা ও মা বাড়িতে ছিলেন না। রাস্তার কল থেকে স্নান করে ফিরছিল বছর ১৪-র ওই কিশোরী। সেই সময় অভিযুক্ত রাজা সর্দার তার রাস্তা আটকায়। গামছা দিয়ে হাত বেঁধে, মুখ চেপে একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই কিশোরীকে ডায়মন্ডহারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল মগরাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে কিশোরীর পরিবার।

কিশোরীর মা বলেন, “রাজা যখন মেয়েকে ধর্ষণ করছিল তখন অনেকেই দেখেছিল। কিন্তু, কেউ বাধা দেয়নি। উলটে ধর্ষণের পর রাজার মা তাকে নিয়ে বাড়ি চলে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হতে অভিযুক্তর মা বাড়ি এসে তা চেপে যেতে বলে।” কিন্তু তাদের কথা না শুনে থানায় অভিযোগ জানানোয় কিশোরীর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন কিশোরীর মা। বলেন, “অভিযোগ জানানোর পর থেকে পুলিশ এখনও পর্যন্ত আমার মেয়ের শারীরিক পরীক্ষা করায়নি। অভিযুক্ত এখনও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।” তিনি আরও বলেন, “রাজা এর আগেও এলাকার দুটি মেয়েকে ধর্ষণ করে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে তখন কেউ কোনও অভিযোগ জানায়নি। তার রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় অভিযোগ জানায়নি কেউ।”

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

হাইকোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্যের, সংঘের স্কুল বন্ধ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ল রাজ্য সরকার



সংঘের স্কুল বন্ধ করতে গিয়ে আদালতে বিপাকে পড়ল রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ ছাড়া সংঘ পরিচালিত স্কুলগুলি রাজ্য বন্ধ করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিলেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়।

পরিকাঠামোর অভাব এবং প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অনুমোদন ছাড়াই চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ কর্তৃক পরিচালিত স্কুলগুলি। অবিলম্বে সেগুলি বন্ধ হওয়া উচিত। এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর। সেই নির্দেশ মতো বন্ধ হয়ে যায় ওই জেলায় সংঘ পরিচালিত ১০টি স্কুল।

রাজ্যে সংঘের প্রসার ঠেকাতে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার স্কুলগুলি বন্ধ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংঘ পরিচালিত স্কুলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আদালতে এমনই অভিযোগ করেছেন স্কুল কমিটির আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়।

সংঘের সংস্থা উত্তরবঙ্গ সারদা ট্রাস্টের অধীনে উত্তর দিনাজপুর জেলায় মোট ১০টি স্কুল চলে। যার মধ্যে রয়েছে সারদা শিশুতীর্থ স্কুল। চলতি বছরের মার্চ মাসের চার তারিখে ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর স্কুল বন্ধের বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর সেই দশটি স্কুলে একত্রিত হয়ে মামলা করে কলকাতা হাই কোর্টে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, বিগত ১০ বছর ধরে স্কুলগুলি চলছে।

১২ মে ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টরের জারি করা বিজ্ঞপ্তির উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফের মামলা করে রাজ্য সরকার। বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্য্যের বেঞ্চে ওঠে সেই মামলা। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন আদালতে কেন্দ্রের আইনজীবী অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল কৌশিক চন্দ্র বলেন, “শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার, তাই এটা কেউ খর্ব করতে পারে না।” উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর এদিন রায় দান স্থগিত রাখেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন যে যতদিন না পর্যন্ত রায়দান হচ্ছে ততদিন স্কুল বন্ধ করতে পারবে না রাজ্য।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Friday, 15 December 2017

বৌদি’র সঙ্গে জোর করে বিয়ে, আত্মহত্যা কিশোরের



বিধবাকে বৌদি’র সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর। বয়সে ১০ বছরের বড় স্ত্রী’কে মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যা করল ১৫ বছরের এক কিশোর। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গয়া জেলায়।

বাল্য বিবাহের যে ঘটনাগুলি এদেশে সাধারণত শোনা যায়। এটি তা নয়। তাই এক কিশোরকে জোর করে বৌদি’র সঙ্গে বিয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। গত সোমবার ঘটনাটি ঘটে গয়ার বিনোবা নগরে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত কিশোরের নাম মহাদেব দাস। জেলার এক সরকারি স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়াশোনা করত সে। জানা গেছে, দাদা সন্তোষের মৃত্যুর পর বৌদি রুবির সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় মহাদেবের। সন্তোষ ও রুবির দুই সন্তান রয়েছে। গ্রামের এক মন্দিরে পরিবার ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের সাক্ষী হিসেবে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আত্মহত্যা করে মহাদেব। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp