JanaSoftR
  • সপ্তাহে কতবার যৌনমিলনে আগ্রহী সুন্দরীরা: একটি সমীক্ষা

  • এই নতুন নেশাতেই মজছে স্কুল পড়ুয়ারা, চিন্তায় অভিভাবকরা

  • ট্রেনে একঘন্টায় কলকাতা থেকে দিল্লি!

  • মরুভূমি হয়ে যাবে পাকিস্তান, সিন্ধু অববাহিকায় বাঁধ নির্মাণ শুরু, প্রবল চাপে পাকিস্তান

Monday, 23 January 2017

রামধনু যদি রংধনু হয়, তবে মাননীয়ার ইচ্ছা হলেই রামছাগল হয়ে যাবে রংছাগল!!


রামধনু এখন রংধনু হয়ে গিয়েছে! তা হলে, মাননীয়ার ইচ্ছা হলেই, রামছাগল কি পশ্চিমবঙ্গে রংছাগল হয়ে যাবে?
এমনই প্রশ্ন তুলছে এখন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি৷ শুধুমাত্র আবার প্রশ্ন উত্থাপনও নয়৷ বরং, রামধনুকে যেভাবে রংধনুতে বদলে দেওয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন লাগাতার প্রচারও শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি৷ পশ্চিমবঙ্গের কোনও মনীষী অথবা বিশিষ্ট কোনও ব্যক্তি কিংবা কোনও স্থানের নামের শুরুতে যেখানে ‘রাম’ রয়েছে, তেমন বিভিন্ন নাম উল্লেখ করে ‘রাম’-এর বদলে ‘রং’ যোগ করে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে৷আর, এ ভাবেও তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে, জোরদার বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে রাজ্য বিজেপি উঠে আসতে চাইছে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের বিভিন্ন অংশ৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্থাপন করা ওই সব প্রশ্নের সঙ্গে রাজ্য বিজেপির তরফে দাবি করা হচ্ছে, ‘সাবধান বঙ্গবাসী আমরা শঙ্কিত’৷ আর, তার সঙ্গেই এখনও পর্যন্ত প্রখ্যাত বাঙালি রম্যলেখক শিবরাম চক্রবর্তী, শিল্পী রামকিংকর বেইজ, রামপ্রসাদী গানের রচয়িতা তথা কবিরঞ্জন হিসেবে খ্যাত অষ্টাদশ শতাব্দীর শাক্ত কবি ও সাধক রামপ্রসাদ সেন এবং বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান লেখক আচার্য রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর নাম যেমন উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে৷ তেমনই, স্থান হিসেবে রামপুরহাট এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী বেচারাম মান্নার নামও উল্লেখ করা হয়েছে৷ এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের এই প্রতিবাদ চলবে৷ রামমোহন রায় সহ আরও অনেকের নাম করা হবে৷’’



কিন্তু, কেন শঙ্কিত রাজ্য বিজেপি? দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গকে সার্বিকভাবে এখন বাংলাদেশীকরণের চেষ্টা চলছে৷ এখানে গণতন্ত্র নেই৷ আমাদের সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না৷’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতন্ত্র বাঁচাও, বাংলা বাঁচাওয়ের দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে৷’’ এ দিকে, রামধনুকে বদলে রংধনু করে দেওয়ার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপির তরফে যেভাবে প্রচার জারি রাখা হয়েছে, তার জন্য যুক্তিও দেওয়া হয়েছে৷ তবে, ওই যুক্তিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ না করে তাঁকে ‘মাননীয়া’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে৷ যেমন, শিল্পী রামকিংকর বেইজের ছবি দিয়ে যে প্রতিবাদ জারি রেখেছে রাজ্য বিজেপি, সেখানে এমনই বলা হয়েছে, ‘সাবধান বঙ্গবাসী আমরা শঙ্কিত ইনি রংকিঙ্কর বেইজ হয়ে যেতে পারেন মাননীয়ার ইচ্ছা হলেই কারণ মাননীনার ইচ্ছায় ‘রামধনু’ এখন ‘রংধনু’৷


একই রকম ভাবে, শিবরাম চক্রবর্তী থেকে শিবরং চক্রবর্তী, রামপ্রসাদ সেন থেকে রংপ্রসাদ সেন, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী থেকে রঙেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, রামপুরহাট থেকে রংপুরহাট৷ তেমনই, যদিও বর্তমানে মন্ত্রী নন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বেচারাম মান্না, তবে তাঁর নাম উল্লেখ করেও রাজ্য বিজেপি এমনই প্রশ্ন তুলেছে, ‘রামধনু যদি ‘রংধনু’ হয়, মন্ত্রী বেচারাম মান্নাকে কী বলবেন মাননীয়া?’ তবে, রাজ্য বিজেপির এই ধরনের আন্দোলনের জেরে রংধনু যদি আবার বদলে রামধনু না হয়, তা হলে কী করা হবে? রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, ‘‘সপ্তম শ্রেণির একটি বইয়ে রামধনুকে বদলে রংধনু করা হয়েছে৷ তৃতীয় শ্রেণির একটি বইয়ে বাবা, মা, ঠাকুমা, ঠাকুরদা, মামা, মাসি-র বদলে উর্দু  অথবা অপরিচিত শব্দের অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে৷ শিক্ষার ইতিহাসকে বিকৃত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস৷’’
একই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির ওই সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘মালদহের বৈঠকে আমরা একটি শিক্ষা প্রস্তাবও গ্রহণ করেছি৷ এ ভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি জারি থাকবে৷ তার জন্য যত দূর যেতে হয় যাওয়া হবে৷’’ শুধুমাত্র তাই নয়৷ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে৷ এ রাজ্যের নাম আমরা পশ্চিমবঙ্গ রাখার পক্ষে৷’’ একই সঙ্গে ফের তিনি বলেন, ‘‘রামধনুকে বদলে রধনু করা হয়েছে৷ তা হলে, রামছাগলকে কি রংছাগল বলা হবে?’’ রাজ্যের গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও বাংলার বিভিন্ন মনীষীর বিষয়ে উল্লেখ করে প্রচার করেছিল রাজ্য বিজেপি৷ রামধনুর বদলে রংধনু-র প্রতিবাদে যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার জারি রেখেছে রাজ্য বিজেপি, তার মাধ্যমে কি বাঙালির কোনও অনুভূতি ছোঁয়ার প্রচেষ্টা রয়েছে? দেবশ্রী চৌধুরীর কথায়, ‘‘আমরা কখনও কোনও অনুভূতি নিয়ে রাজনীতি করি না৷ আমাদের কাছে সবার প্রথমে দেশ৷’’
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত প্রাক্তন সিবিআই প্রধানের তদন্ত করবে খোদ CBI


নয়াদিল্লি: সিবিআই প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন রঞ্জিৎ সিনহা। আর এবার সিবিআই-এর নজরে সেই প্রাক্তন সিবিআই প্রধান। এই প্রথমবার সিবিআই-এর কোনও প্রাক্তন কর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করবে খোদ সিবিআই। সোমবার এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে।


মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সামনে আসে কয়লা কেলেঙ্কারি। আর সেই দুর্ণীতিতে তৎকালীন সিবিআই প্রধান রঞ্জিৎ সিনহার হাত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। নিজের বাড়িতে ওই দুর্ণীতির সঙ্গে যুক্ত একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বৈঠকের প্রমাণও মিলেছিল আগেই। তিনি নিজের পদের ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন কিনা সেটা জানতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই তদন্তের দায়িত্বে থাকবেন নয়া সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মা। শীর্ষ আদালতের কাছে এমন তথ্য রয়েছে যে বাড়িতে ৫০-৬০ বার ওইসব লোকজনের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রাক্তন সিবিআই প্রধান। তাঁর বাড়ির ভিজিটর’স বুকও খতিয়ে দেখা হয়েছে।
কর্মজীবনের শেষদিকে চরম বিতর্কে জড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। এমনকী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে টুজি কেলেঙ্কারির তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াতে হয় তাঁকে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে বিচারক মেনে নেন যে রঞ্জিৎ সিনহা দোষী। তাঁর বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হয়েছে। স্পেকট্রাম ও কয়লা কেলেঙ্কারিতে তাঁর জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। যদিও বারবার দোষের কথা অস্বীকার করেছেন রঞ্জিৎ সিনহা। অন্যান্য সিবিআই আধিকারিকরা অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে। রিলায়েন্স কর্তা অনিল অম্বানী সহ একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে রঞ্জিৎ সিনহার বৈঠকের প্রমাণ মিলেছে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

কোন চক্রান্তের শিকার হয়েছিলেন নেতাজি?



‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’- নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের এই একটি মাত্র ডাকে হাজার হাজার ভারতবাসী প্রাণ আহুতি দিয়েছিলেন স্বাধীনতার মহাযজ্ঞে। আজ সমস্ত দেশে পালিত হচ্ছে, আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠাতা নেতাজির ১২০তম জন্মবার্ষিকী। তবে স্বাধীনতার পর প্রায় ৭০ বছর পেরিয়ে এলেও রহস্যে আবৃত নেতাজির মৃত্যু। আদৌ কি বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর?
অনেকেই বিশ্বাস করেন বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়নি। কখনও আবার কোনও কোনও নথি সামনে এসে সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। তাহলে কী হয়েছিল? ‘ইন্ডিয়াজ বিগেস্ট কভার আপ’ নামে তাঁর বইয়ে রহস্যের আবরণ অনেকটাই খুলে দিয়েছেন বিখ্যাত সাংবাদিক অনুজ ধর। প্রায় ২০০র বেশি গোপন সরকারি নথি-পত্র দেখিয়ে তিনি দাবি করেছেন যে ১৯৪৫ সালে তাইওয়ানে ঘটা বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, সেই সময়কার কংগ্রেস সরকার আসল সত্য চাপা দিয়েছিল। এই চক্রান্তের অংশীদার ছিলেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, এমনটাও দাবি তাঁর।
অনুজ ধরের বক্তব্য অনুযায়ী, নেতাজির মৃত্যু বিমান দুর্ঘটনায় হয়নি। মিত্রশক্তির কাছে জাপানের আত্মসমর্পণের পর নেতাজি সম্ভবত রাশিয়া চলে যান। তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে ১৯৫৬ সালে শাহ নওয়াজ খান কমিটি ও ১৯৭০ সালে জাস্টিস জি ডি খোসলা কমিশন গঠন করা হয়। তাঁদের রিপোর্টে বলা হয় তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়। যদিও অনুজ ধর দাবি করেন ওই দুটি কমিটির সামনে তখনকার কংগ্রেস সরকার ও আইবি (ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) সঠিক তথ্য তুলে দেয়নি। এরপর ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে গঠন করা হয় জাস্টিস এম কে মুখার্জী কমিশন। এই কমিশনের সামনে দেওয়া এক বয়ানে প্রণব মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। এরপরই ২০০৫ সালে মুখার্জী কমিশন ইউপিএ সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশ করে। বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যু হয়নি বলে রিপোর্টে বলা হয়। আশ্চর্যজনক ভাবে মুখার্জী কমিশনের রিপোর্ট অগ্রাহ্য করে ইউপিএ সরকার।
অনুজ ধরের বইটিতে আরও বলা হয় যে, জহরলাল নেহেরু প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন, নেতাজির এলগিন রোড ভবনে নজর রাখত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। নেতাজির বাড়ির সব চিঠিপত্র পড়ে দেখতেন তাঁরা। বাড়ির লোকেদের উপরও

কড়া নজর রাখা হত। যদি নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারাই গেছেন তবে এত নজরদারি কেন? তবে কি নেহেরু জানতেন নেতাজি জীবিত আছেন?
এই বই থেকেই জানা যাচ্ছে, তাইওয়ান সরকার ইতিমধ্যে জানিয়েছে যে নেতাজিকে বয়ে নিয়ে যাওয়া কোনও বিমান ওই দেশে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন যে, ফৈজাবাদের গুমনামী বাবা, যিনি ১৯৮৫ সালে মারা যান, তাঁর ও নেতাজির মধ্যে অদ্ভুত মিল ছিল। ২০১০ সালে একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বয়ানে জাস্টিস মুখার্জী গুমনামী বাবার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
১৯৭১ সালে উসমান প্যাটেল নামে নেতাজির এক দেহরক্ষী খোসলা কমিশনকে দেওয়া একটি বয়ানে বলেন যে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহেরু, মহম্মদ আলী জিন্নাহ ও মৌলানা আজাদ ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিলেন। ওই চুক্তিতে বলা হয়েছিল যে নেতাজি ভারতে ফিরে এলে, তাঁকে ব্রিটিশদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্বর্গীয় রাম রাহুল তাঁর এক বন্ধু রাই সিং যাদবকে বলেছিলেন যে, নেতাজি রাশিয়ায় আছেন। অধ্যাপক রাহুলের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট স্তালিনের বিশ্বস্ত সহকারী বাবাজান গওফ্রাভয়ের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রেই তিনি নেতাজির কথা জানতে পারেন বলে তাঁর দাবি। পরে অধ্যাপক রাহুল মৃত্যুসজ্জায় তাঁর এক বন্ধু রাই সিং যাদবকে এই কথা বলেন। রাই সিং সেই সময় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তরে উচ্চপদে ছিলেন। তিনি অনুজ ধরকে লেখা একটি চিঠিতে বলেন যে, নেতাজি সোভিয়েত ইউনিয়নে আছেন। তিনি সোভিয়েত-মানচুরিয়া সীমান্তের আসেপাশেই কোথাও ছিলেন বলে দাবি করেন রাই সিং। জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা অস্থি-ভস্ম নেতাজির নয় বলেও ইঙ্গিত মেলে অনুজ ধরের বইটিতে।
তবে বিতর্ক যতই থাক, নেতাজি আজ ভারতবাসীর হৃদয়ে স্বমহিমায় বিরাজমান। তার মৃত্যু ঘিরে থাকা রহস্যের সমাধান আদৌ সম্ভব হবে কিনা তা সময় বলবে। তবে এটুকু বলাই যায় যে নেতাজি যদি সেই সময় স্বাধীন ভারতের হাল ধরতেন তাহলে ভারত আজ আরও এগিয়ে যেত।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

সর্বজনীন দেওয়ানি বিধিতে মুসলিমদেরই মঙ্গল: তসলিমা



জয়পুর: সর্বজনীন দেওয়ানি বিধির পক্ষেই সওয়াল করলেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন৷ তিনি দাবি করেন, এই মুহূর্তে ভারতের যা পরিস্থিতি, বিশেষ করে মহিলাদের, তাঁদের কথা ভেবে ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা সর্বজনীন দেওয়ানি বিধি চালু করা উচিত৷ সোমবার জয়পুরে সাহিত্য উৎসবে আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত ছিলেন ‘বিতর্কিত’ লেখিকা তসলিমা৷ সেখানেই তিনি এই প্রসঙ্গ তোলেন৷


সোমবার জয়পুর সাহিত্য উৎসব কমিটির তরফে একটি বিশেষ বিতর্কসভার আয়োজন করা হয়৷ অনুষ্ঠানের বিষয় ছিল সর্বজনীন দেওয়ানি বিধি৷  সেখানেই লেখিকা বলেন, ‘‘সমালোচনা ছাড়া মুসলমান সমাজ কখনই এগতে পারবে না৷ সমালোচনা সহ্য করাটা খুব দরকার৷ মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য অবিলম্বে সর্বজনীন দেওয়ানি বিধি চালু করা উচিত৷’’
এদিন তসলিমা আরও বলেন, ‘‘আমি অথবা অন্য কেউ যখন হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্য ধর্মের সমালোচনা করি, তখন কোনও পক্ষ থেকে সমস্যা হয় না৷ অথচ ইসলাম ধর্ম নিয়ে কিছু বললেই মানুষের জীবন সংকটময় হয়ে ওঠে৷’’ এই অবস্থা বন্ধ হওয়া উচিত বলেও এদিন মন্তব্য করেন লেখিকা৷ ‘‘আমার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা হয়েছে৷ আমায় ওরা খুন করতে চায়৷ কিন্তু কেন? আমি ওদের বিরুদ্ধে যেমনভাবে লিখি, যেভাবে তাদের সমালোচনা করি, তারাও তাই-ই করুক৷ আমার বিরুদ্ধে লেখা ছড়িয়ে দিক৷ ফতোয়া জারির বদলে আলোচনাও তো করতে পারে’’ বলে জয়পুরের সাহিত্য উৎসবে প্রস্তাব দেন তসলিমা৷
কট্টরপন্থীদের বিরুদ্ধে বার বার কলম ধরার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত তসলিমা নাসরিন৷ একটা সময় কলকাতায় থাকা শুরু করেন৷ কিন্তু এখানেও ২০০৭ সালে তাঁকে রাজনৈতিক কারণে নানা সমস্যায় পড়তে হয়৷ আগে থেকেই ছিলেন, তার পর থেকে একটানা ইউরোপেই রয়েছেন এই লেখিকা৷ দিন কয়েক আগে কলকাতায় ফিরতে না-পারার জন্য বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেও ট্যুইটারে সরব হন তিনি৷ যেমন হয়েছিলেন পূর্ববর্তী সরকারের বিরুদ্ধেও৷
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে শিলিগুড়িতে পদযাত্রা RSS-এর


শিলিগুড়ি, ২৩ জানুয়ারি : শিলিগুড়িতে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে পদযাত্রা করল RSS। গত ১৪ জানুয়ারি কলকাতায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের সমাবেশ নিয়ে বিস্তর ঝামেলার পর হাইকোর্টের নির্দেশে বাধ্য হয়েই সভার অনুমতি দিয়েছিল পুলিশ। তারপরই শিলিগুড়িতেও পদযাত্রা করতে তড়িঘড়ি অনুমতি দেওয়া হয়।

আজ পানিট্যাঙ্কি মোড় থেকে শুরু হওয়া এই পদযাত্রায় ৫০০ জন স্বয়ংসেবক অংশ নিয়েছিলেন। ব্যান্ড সহযোগে এই পদযাত্রায় সামিল হন BJP-র জেলা সভাপতি সহ অন্য নেতারা। মোতায়েন করা হয়েছিল প্রচুর পুলিশ কর্মীও।

এই পদযাত্রার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করতে দেখা যায় তাদের। কার্যত নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে পদযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।

শিলিগুড়ির বিধান রোড, হাকিমপাড়া, আশ্রমপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে শেষ হয় ওই পদযাত্রা।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

ISIS জঙ্গি বোঝাই ১০০টি নৌকা ওড়াল সেনা




মসুলে সেনা অভিযান শুরু হয়েছে গতবছরের অক্টোবর মাস থেকে। এখনও পর্যন্ত ১১২টি জঙ্গি নৌকা ধ্বংস করেছে সেনা। এদিকে এই ঘটনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে ইরাকের প্রশাসন।

লেফটেনান্ট জেনেরাল আবদুল ঘানি আল আসাদি সরকারিভাবে ঘোষণা করেছেন, শহরের পূর্ব অংশকে সম্পূর্ণভাবে জঙ্গিদের দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেনাদের তৎপরতায় তা করা গেছে। এটা শহরবাসীর কাছে খুশির খবর।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতায় ভারত-পাক যুদ্ধের গন্ধ!



কলম্বো: আগামী বছর স্বাধীনতার সত্তর বছর উদযাপন করবে শ্রীলঙ্কা৷দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থিলাঙ্গা সুমাথিপালা সেদেশে ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আয়োজন করেই মুক্তির গান গাইতে গাইছেন৷চারদেশীয় ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে তিনি চাইছেন শ্রীলঙ্কার সঙ্গেই বাইশ গজের যুদ্ধে সামিল হোক প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত-পাকিস্তান৷সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা৷প্রতিটি দেশের বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেই টুর্নামেন্টের দিন-ক্ষণ স্থির করবে শ্রীলঙ্কা৷

এই টুর্নামেন্টে নিজেদের যোগদান নিশ্চিত করেছে বিরাটের টিম ইন্ডিয়া৷সুমাথিপালা এমনটাই জানিয়েছেন৷ তিনি বলছেন‘‘ ভারত ইতিমধ্যেই ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে৷আমাদের প্রধানমন্ত্রী রনিল উইক্রামাসিংহের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ব্যাপারে সম্প্রতি কথা হয়েছে৷’’ সুমাথিপালার আরও সংযোজন,‘‘ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে ভারতের সেসময়৷পরের মাসে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আইসিসি-র মিটিংয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপ নিয়ে আমরা ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব৷যাতে সব দলই শ্রীলঙ্কায় এসে খেলতে পারে৷’’

ভারত ও শ্রীলঙ্কা একই সঙ্গে উদযাপন করবে স্বাধীনতার ৭০৷ভারতের জন্মদিনেও সামিল হতে চায় শ্রীলঙ্কা৷জানা যাচ্ছে লঙ্কা বাহিনীও ভারত ছোট সফরে আসতে পারে৷আগামী জুলাই-অগস্টে ভারত উড়ে যাবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে৷তিনটি টেস্ট, পাঁচটি ওয়ানডে ও একটি টি-২০ খেলার কথা রয়েছে দু’দলের মধ্যে৷যদিও নির্ঘণ্ট চূড়ান্ত হয়নি৷

ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে৷ক্রিকেটেও তার যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে৷আইসিসি-র কোনও ইভেন্টেও ভারত চাইছে না পাকিস্তানের সঙ্গে খেলতে৷এখন দেখার ২০১৮-তে শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতায় ভারত-পাক যুদ্ধ দেখা যায় কিনা!
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

প্রেমিকের ক্যামেরার সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হলেন বলিউড অভিনেত্রী

ভালবাসার জন্য মানুষ কীই না করতে পারে? সাত সমুদ্র, তেরো নদী পর্যন্ত পেরিয়ে যেতে পারে৷ কিন্তু নগ্ন হতে পারে কি? হ্যাঁ, তাও পারে৷ তা সে সাধারণ কোনও নারী হোক কিংবা বলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রী৷ প্রেমে বিশ্বাস থাকলে সবাই নিজেকে উন্মুক্ত করে দিতে পারে মনের মানুষের কাছে৷ তাইতো নিজের ফটোগ্রাফার প্রেমিকের ফ্ল্যাশবাল্বের সামনে নগ্ন হতেও আপত্তি করেননি ইলিয়ানা ডি’ক্রুজ৷




বহুদিন ধরেই অস্ট্রেলিয়ার ফটোগ্রাফার অ্যান্ড্রিউ নিবোনের সঙ্গে প্রেমপর্ব চালিয়ে যাচ্ছেন ইলিয়ানা৷ নিজের প্রেমকে সবার সামনে প্রকাশ করতে কোনওদিন লুকোছাপাও করেননি অভিনেত্রী৷ অভিনয়ের জোরেই দক্ষিণাত্য ছাপিয়ে প্রভাব বিস্তার করেছেন বলিউডের মাটিতে৷ একাধিক হিট ছবি তাঁর ঝুলিতে৷ হাজারও ব্যস্ততা৷ কিন্তু এর মধ্যেও যে বয়ফ্রেন্ডকে সময় দিতে ভোলেন না৷ এই ছবিগুলিই তার প্রমাণ৷



অ্যান্ড্রিউও পাক্কা ফট্টোগ্রাফার৷ ক্যামেরার ফোকাসে নিজের স্বপ্নের নারীকে স্বপ্নের থেকেও সুন্দর করে তুলে ধরেছেন৷ ইলিয়ানার বিশ্বাসের সম্পূর্ণ মর্যাদা দিয়েছেন তিনি৷



Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

BIG BREAKING NEWS: ব্রিটিশ পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ছুটল আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দিকে!


লন্ডন:  ব্রিটিশ সরকার একটি ব্যর্থ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে ছুটে গিয়েছিল!  আমেরিকার ফ্লোরিডার উপকূল থেকে ব্রিটিশ সাবমেরিন থেকে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রবহনে সক্ষম ট্রাইডেন্ট ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। আর সেখান থেকেই ঘটে যায় বিপত্তি! সবথেকে বড় ব্যাপার এই ঘটনা থেকেই যে কোনও মুহূর্তে বেঁধে যেতে পারে মহাযুদ্ধ!


জানা গিয়েছে, জলের তলা থেকে ছোঁড়ার পর ক্ষেপণাস্ত্রের যাত্রপথ হঠাত করেই ঘুরে যায়। এবং নির্ধারিত লক্ষ্যস্থল আটলান্টিক মহাসাগরের দিকে না গিয়ে এটি মার্কিন মূল ভূখণ্ডের দিকে বিপদজনক ভাবে যেতে থাকে। অবশ্য ট্রাইডেন্ট ক্ষেপণাস্ত্রটি জলে পড়ে যাওয়ায় এই মারাত্মক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী।
চার বছরের মধ্যে এই প্রথম ট্রাইডেন্ট পরীক্ষামূলক ভাবে ছোঁড়া হয়েছিল। ২০০০ দশকের গোড়া থেকে এই পর্যন্ত মাত্র পাঁচবার পরীক্ষামূলক ভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থা লকহেড মার্টিনের তৈরি প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল্য দুই কোটি ১০ লাখ ডলার হওয়ায় এই নিয়ে বেশি পরীক্ষা চালায়নি ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী।
গত জুন মাসে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা ব্রিটিশ সরকার এবং রাজকীয় নৌবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছে সানডে টাইমস। ট্রাইডেন্ট ছোঁড়ার এই ব্যর্থতার কথা যেন কোনও ভাবেই প্রকাশ না পায় সে চেষ্টায় তৎপর হয়ে উঠেন তারা। ব্রিটেনের ডুবোজাহাজ ভিত্তিক কৌশলগত পরমাণু ব্যবস্থা নবায়নের খাতে ৪৯৫ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে কিনা তা নিয়ে ব্রিটেনের কমন্স সভায় ভোটাভুটির আগে এই ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে কমন্স সভাকে কেন এই ব্যর্থ পরীক্ষার বিষয় অবহিত করেন তিনি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ দিকে, ট্রাইডেন্ট ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ব্যর্থ হওয়ার বিষয়ে প্রকাশ্য আলোচনা করার দাবি করেছে ব্রিটেনের শ্রমিক দলের কোনও কোনও আইনজীবী।  এই ঘটনা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালোনকে সংসদে তলব করা হতে পারে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

নির্দিষ্ট দিনেই হবে বাজেট: সুপ্রিম কোর্ট



নয়াদিল্লি:  একেবারে পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে পয়লা ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় বাজেটের দিন পরিবর্তন করার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট৷ প্রধান বিচারপতি জে এস খেলহার এবং বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে নিয়ে গঠিত বেঞ্চের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এই মর্মে যে ভোটের আগে ওইদিনে বাজেটর পেশ হলে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্খন করা হবে৷ কিন্তু আদালত জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাজেট ঘোষণা রাজ্যের ভোটে মানুষের মনকে প্রভাবিত করে না৷


এই জনস্বার্থ মামলাটি করেছিলেন অ্যাডভোকেট এম এল শর্মা, যিনি আবেদনে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রকে যেন নির্দেশ দেওয়া হয় প্রস্তাবিত ফেব্রুয়ারি মাসের বদলে যেন পরে তা পেশ করা হয়৷ তাছাড়া দাবি করা হয়েছিল ভোট পর্ব না মেটা পর্যন্ত যেন কেন্দ্র কোনও রকম ছাড় কর্মসূচি ইত্যাদি ঘোষণা করতে না পারে৷
প্রসঙ্গত, ৪জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন উত্তরপ্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনী নির্ঘন্ট  প্রকাশ করে ৷ যদিও কেন্দ্র ৩১ জানুয়ারি থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু করে পরের দিনই ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার সিদ্ধান্ত নেয়৷
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

আঘাত আসলে সমস্ত গোপন অস্ত্র প্রয়োগ হবে ভারতের বিরুদ্ধে, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের



ইসলামাবাদ:  পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষে কয়েকশ ট্যাংক মোতায়েন করতে চলেছে ভারত। যা ঘিরে রীতিমত যুদ্ধ পরিস্থিতি সীমান্তে। এরই মধ্যে ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের হুমকি, ভারত কোনওভাবে পাকিস্তানে আঘাত করলে সমস্ত অস্ত্র প্রয়োগ করা হবে ভারতের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, পাক অস্ত্রাগারে যে সমস্ত অস্ত্র এবং তা যত ধরণের রয়েছে তা প্রয়োগ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি পাক সেনাবাহিনীর।


সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাক সেনাবাহিনীর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, যে কোনও বিদেশী শক্তির জন্যে যদি জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, তাহলে সমস্ত অস্ত্র প্রয়োগ করা হবে । এমনকি, সমস্ত গোপন অস্ত্র প্রয়োগ করতেও পাকিস্তান পিছুপা হবে না বলে হুঁশিয়ারি সেনা আধিকারিকের। যদিও গোপন অস্ত্র বলতে পাকিস্তান কি বোঝাতে চেয়েছে তা স্পষ্ট। কারণ, ভারতের মতোই পাকিস্তানের হাতে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র। ফলে বিদেশী অর্থাৎ ভারতীয় সেনাবাহিনী আঘাত করে তাহলে ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগের হুঁশিয়ারিই যে দিয়েছে পাকিস্তান, তা কার্যত স্পষ্ট।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান হুঁশিয়ারি দেন , যে কোনও রকম নাশকতার অত্যন্ত কড়া জবাব দেবে ভারত। ভারতীয় বাহিনী জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে বসে রয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ওয়াকিবহালমহল মনে করছে, যে কোনও পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিতে তৈরি ভারত। তা কার্যত কিছুটা হলেও বুঝতে পারছে পাকিস্তানও। তাই সেখানে দাঁড়িয়েই এবার পালটা ভারতকে হুমকি দিয়ে চাপে রাখতে চাইছে পাকিস্তান! যদিও এই হুমকি নিয়ে ভারত মোটেও ভাবতে রাজি নয়।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

নেতাজির জন্মদিনে জাতীয় ছুটি কিনা সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র



কলকাতা: নেতাজির জন্মদিনে জাতীয় ছুটি ঘোষণা হবে কিনা তা বিবেচনা করবে কেন্দ্রীয় সরকার৷ সোমবার নেতাজি ভবনে সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে একথা বললেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি।

নেতাজির জন্মদিবসে ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রাজ্যপাল জানান, বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকার বিবেচনা করবে। তবে আজ সমস্ত ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের উচিত একত্রিত হয়ে বসবাস করা। সদ্ভাব বজায় রাখা।

আজ কলকাতার নেতাজিভবনে পালিত এই অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনেরাল সুনীল যাদব, কৃষ্ণা বসু ও সুগত বসু। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেতাজিভবনের সামনে কড়া নিরাপত্তার আয়োজন করা হয়। রাজ্যপাল বলেন, স্কুলজীবনে তিনিও নেতাজির ভক্ত ছিলেন। তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব, এই উদ্ধৃতির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনিও রক্ত দিয়েছিলেন।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

‘মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যে গোটা বাংলাদেশ দখল করে নিতে পারবে ভারত’


“ভারত বাংলাদেশে সামরিক অভিযান চালালে পুরো বাংলাদেশ সরকার, প্রশাসন এবং সব শহরাঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সময় লাগবে মাত্র দু সপ্তাহ। বা হয়তো এর চেয়েও কম। আর বাংলাদেশে সামরিক সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ভারত ব্যাপক এবং পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা রাখে।”

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের এক অস্থির রাজনৈতিক সময়ে তৈরি করা এক গোপন দলিলে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ এভাবেই ভারতের সামরিক সক্ষমতার পর্যালোচনা করেছে। সম্প্রতি সিআইএ যেসব গোপন দলিল অর্থাৎ নথি সর্ব-সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করেছে, তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সংক্রান্ত এই সমস্ত নথিও। এই দলিলটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের ২৬ তারিখ। এর শিরোনাম ছিল “ইন্ডিয়ান মিলিটারি ক্যাপাবিলিটিজ ফর ইন্টারভেনশন ইন বাংলাদেশ” বা বাংলাদেশে হস্তক্ষেপের জন্য ভারতের সামরিক সক্ষমতা”। ঠিক ওই ২৬শে নভেম্বর সকালেই ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার সমর সেনকে অপহরণের চেষ্টা করে জাসদের গণবাহিনীর একদল সশস্ত্র সদস্য।





ভারত আসলেই বাংলাদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের কথা ভাবছিল কিনা, অথবা সেসময় বাংলাদেশে যারা ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন, তাদের মধ্যে এরকম কোন আশংকা ছিল কিনা, সিআইএ’র এই দলিলে এ সম্পর্কে কিছু নেই। এর শুরুতেই একটি নোটে বলা হয়েছে “এটি একটি সামরিক সক্ষমতার সমীক্ষা মাত্র। এতে ভারতীয় সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বা এই ধরণের হস্তক্ষেপ কি রাজনৈতিক বিবেচনায় করা হতে পারে সে সম্পর্কে কোন কিছু অনুমানের চেষ্টা করা হয়নি।” তবে এর আগে ৮ই নভেম্বরের অন্য একটি নথিতে বলা হচ্ছে বাংলাদেশে ভারতীয় হস্তক্ষেপের আশংকা বাড়ছে।
সিআইএর পরিচালকের দফতর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কাছে পাঠানো ওই রিপোর্টে বলা হয়, “বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরের অবস্থার অবনতি ঘটছে। যদি দ্রুত সামাল দেওয়া না যায় এটা গৃহযুদ্ধে পর্যন্ত রূপ নিতে পারে। এবং সীমান্তের ওপারে ভারতের দিকে শরণার্থীর ঢল নামতে পারে। এবং এর ফলে ভারত খোলাখুলি সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে।”

বাংলাদেশে তখন একের পর এক ঘটনা ঘটছিল, যাতে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবেশী ভারত ছিল উদ্বিগ্ন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট এক সেনা অভ্যুত্থানে নিহত হন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য। নভেম্বরের ৩ তারিখ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে একের পর এক অভ্যুত্থান আর পাল্টা অভ্যুত্থান চলছিল। এর মধ্যেই ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় আওয়ামী লীগের চারজন শীর্ষ নেতাকে। ৭ই নভেম্বর আরেকটি পাল্টা অভ্যুত্থানে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেন জেনারেল জিয়াউর রহমান।
সিআইএ তাদের ৮ তারিখের রিপোর্টে বলেছে, “ভারত বাংলাদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ নিয়ে আমাদের সংশয় আছে। কারণ আদালতে জয়ী হওয়ার পর ইন্দিরা গান্ধী এখন স্বদেশে বেশ শক্ত অবস্থানে আছেন । দেশে নিজের মর্যাদা বাড়ানোর জন্য তার বিদেশে কোন জয়ের দরকার নেই। সুতরাং ইন্দিরা গান্ধী দেশের ভেতরে রাজনৈতিক ফায়দার জন্য ইচ্ছেকৃতভাবে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করবেন, এটা আমরা মনে করি না।”
ভারতের সামরিক শক্তি:
সিআইএ দলিলে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করতে চাইলে ভারতের সেই ক্ষমতা কতটা আছে তার খুবই বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। এতে বলা হয়েছেঃ
•বাংলাদেশে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিন দিনের মধ্যেই ভারত পূর্ণ মাত্রার সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা রাখে।
•ভারত তাৎক্ষণিক-ভাবে দেড় লাখ স্থল সেনা মোতায়েন করতে পারে। পাকিস্তান এবং চিনের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরক্ষায় কোন গুরুতর দুর্বলতা তৈরি ছাড়াই তারা এটা করতে পারবে। এর বিপরীতে বাংলাদেশের মোট স্থল সেনার সংখ্যা মাত্র ৮৭ হাজার, যাদের মনোবল তখন বেশ দুর্বল।
•নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর ক্ষেত্রে ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব আরও অনেক বেশি।
•মাত্র দু সপ্তাহের মধ্যে ভারত বাংলাদেশ সরকার, প্রশাসন এবং এর সব শহরাঞ্চলে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। এমনকি এর চেয়েও কম সময়ের মধ্যে। তবে ভারতের বিরুদ্ধে কিছু গেরিলা তৎপরতা হয়তো কিছুদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
এর বিপরীতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর দুর্বলতাও তুলে ধরা হয় সিআইএর পর্যালোচনায়।
বাংলাদেশের সেই সময়ের সেনাবাহিনীর সদস্য ছিল ৪৭ হাজার। এর পাশাপাশি ছিল বিশ হাজার সদস্যের রক্ষী বাহিনী, যাদের সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সিআইএ’র পর্যালোচনায় বলা হয়, দুর্বল মনোবলের কারণে এরা কতটা ভারতীয় অভিযান রুখতে পারবে তা প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীও একবারেই দুর্বল। সিআইএ তাদের রিপোর্টে আরও বলেছে, ভারত বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে। তারা দ্রুত এই কাজটি শেষ করতে চাইবে যাতে করে এ নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া কোন বাধা হতে না পারে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

BIG NEWS: বঙ্গবন্ধুর বাংলায় পাঠ্যবইয়ে রবীন্দ্রনাথকে ছেঁটে ফেললেন হাসিনা


বিশেষ প্রতিবেদন: কবি লিখেছিলেন- ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে…’৷ রবীন্দ্রনাথের এই গান ও কবিতাটি আর পাঠ্যবইয়ে রাখতে নারাজ শেখ হাসিনা সরকার৷ ফলে বাংলাদেশের ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবই ‘আনন্দপাঠ’ (দ্রুত পঠন) থেকে নাম কাটা গেল রবীন্দ্রনাথের৷  তাঁর সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা…’ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত৷


ফলে ষষ্ঠ শ্রেণীর পাঠ্য বইতে রবীন্দ্রনাথের কবিতা বাদ দেওয়ায় তীব্র আলোড়িত বাংলাদেশের সুশীল সমাজ৷ তাঁদের একাংশের আশঙ্কা ভবিষ্যতে হয়তো জাতীয় সঙ্গীতের উপরেও কোপ পড়তে পারে৷ একইসঙ্গে অভিযোগ, ইসলামি ভাবধারা প্রয়োগ করতে চাইছে সরকার৷ সেই কারণে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে জোর করে অমুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে৷  বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ মাধ্যম  ‘বাংলা ট্রিবিউন’ জানাচ্ছে এই খবর৷
বাদের তালিকায় শরৎচন্দ্র থেকে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
শুধু রবীন্দ্রনাথ নন, ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা বই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘লালু’ সত্যেন সেনের ‘লাল গরুটা’৷
অষ্টম শ্রেণির বাংলা দ্রুতপঠন আনন্দপাঠ থেকে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ‘রামায়ণ-কাহিনি’ বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সপ্তম শ্রেণির বাংলা বই ‘সপ্তবর্ণা’তে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘লাল ঘোড়া’
নবম শ্রেণির বাংলা বই ‘মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য’ থেকে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পালামৌ’ ও জ্ঞানদাসের ‘সুখের লাগিয়া’, ভারতচন্দ্রের ‘আমার সন্তান’, লালন শাহের ‘সময় গেলে সাধন হবে না’, রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘স্বাধীনতা’ ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘সাঁকোটা দুলছে’ বাদ দেওয়া হয়েছে৷
পাঠ্যসূচিতে ইসলামিকরণের চেষ্টা
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের বাংলা পাঠ্যসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে এমন সব রচনা যাতে ধর্মীয় চিন্তাধারা ছড়িয়ে পড়ে৷ যেমন শাহ মোহাম্মদ সগীরের ‘বন্দনা’, আলাওলের ‘হামদ’, আব্দুল হাকিমের ‘বঙ্গবাণী’, গোলাম মোস্তফার ‘জীবন বিনিময়’ ও কাজী নজরুল ইসলামের ‘উমর-ফারুক’, হবীবুল্লাহ বাহারের ‘মরু ভাস্কর’।
গত বছর হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোট  নামে ধর্মীয় সংগঠন  প্রধানমন্ত্রীর দফতরে  স্মারকলিপি জমা দিয়ে পাঠ্যবই সংশোধনের দাবি জানিয়েছিলো। অবিলম্বে পাঠ্যবই সংশোধন না হলে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছিলো কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড। বাংলাদেশি সুশীল সমাজের ধারণা, এই কারণেই পাঠ্যবইয়ে এত ব্যাপক পরিবর্তন এনে অমুসলিম কবি-সাহিত্যিকদের লেখা বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই পাঠ্যবই সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।
প্রতিবাদে সরব বুদ্ধিজীবীরা
পাঠ্যবই থেকে অমুসলিম  কবি সাহিত্যিকদের নাম ছেঁটে ফেলায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ  দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা৷
‘বাংলা ট্রিবিউন’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাম্প্রদায়িক চিন্তা থেকেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাইকেল মধুসূদন দত্তসহ অনেকের লেখা বাদ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তাদের অবদান মানুষ ভুলে যায়। এটা খুব বেদনাদায়ক। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবো। তিনি আরও বলেন, এই  ধরনের অপচেষ্টা পাকিস্তান আমলেও হয়েছিল।
দেশের অপর গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন প্রধান ড. সফিউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আমাদের শেকড় থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

সপ্তাহে কতবার যৌনমিলনে আগ্রহী সুন্দরীরা: একটি সমীক্ষা


সাধারণ যৌন মিলনের চেয়ে বেশি চান শতকরা ৫০ শতাংশেরও বেশি নারী।  সম্প্রতি ফার্টেইলিটি অ্যাপ কিন্ডারা ৫০০ নারীর উপর সমীক্ষা চালিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে।




সমীক্ষার ফলাফলে বলা হয়, শতকরা ৫৩ শতাংশ নারীই বিদ্যমান অবস্থার চেয়ে বেশিবার যৌন মিলন করতে চান। যার মধ্যে ৭৫ শতাংশ নারী চান সপ্তাহে তিনবারের চাইতে বেশিবার যৌন মিলন এবং ১৩ শতাংশ চান ছ’বারের বেশি।


তাতে আরও উঠে এসেছে নারীদের অর্গাজমের তথ্যও। শতকরা ৩৯ শতাংশ নারী বলেছেন, যৌন মিলনের সময় তাদের অন্তত একবার অর্গাজম হয়। যেখানে ১০ শতাংশ নারীর হয় একাধিক বার।






যৌন মিলনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী? এই প্রশ্নের জবাবে ৫৩ শতাংশ নারীই বলেছেন মানসিক সম্পৃক্ততা। এর পরের অবস্থানেই ছিল উত্তেজনা যা ছিল ২৩ শতাংশ নারীর মতামত।





যৌন মিলনের পক্ষে সবচেয়ে বড় বাঁধা কোনটি? এমন প্রশ্নের জবাবে ৪০ শতাংশ নারীই দোষারোপ দিয়েছেন মানসিক চাপকে।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp