JanaSoftR
  • সপ্তাহে কতবার যৌনমিলনে আগ্রহী সুন্দরীরা: একটি সমীক্ষা

  • এই নতুন নেশাতেই মজছে স্কুল পড়ুয়ারা, চিন্তায় অভিভাবকরা

  • ট্রেনে একঘন্টায় কলকাতা থেকে দিল্লি!

  • মরুভূমি হয়ে যাবে পাকিস্তান, সিন্ধু অববাহিকায় বাঁধ নির্মাণ শুরু, প্রবল চাপে পাকিস্তান

Sunday, 17 December 2017

২০১৯ লোকসভা ভোটে মোদিকেই ভোট দেবেন ৭৯% দেশবাসী, এমনটাই বলছে একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা



দেশের জনপ্রিয়তম নেতা এখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনপ্রিয়তায় তাঁর আশেপাশে কেউ দাঁড়াতেই পারবে না, এমনটাই বলছে একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা। ২০১৯ লোকসভা ভোটে মোদিকে দেখে পদ্মফুলে ভোট দেবেন দেশের ৭৯% নাগরিক, জানাচ্ছে ওই সমীক্ষা।

নোট বাতিল থেকে শুরু, তারপর আধারকে বাধ্যতামূলক করা, বিনা পরিকাঠামোয় জিএসটি চালু- প্রধানমন্ত্রীর একের পর এক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের একাংশের মানুষ প্রতিবাদে সরব হন। বিরোধীরাও শোরগোল জুড়ে দেন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। দেশজুড়ে ধর্মীয় সংকীর্ণতার জিগির উঠিয়ে আসন্ন লোকসভা ভোটে ফায়দা লুটতে চাইছে বিজেপি, অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। কিন্তু এই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এখনও নোট বাতিল বা সচিত্র পরিচয়পত্র হিসাবে আধারকে বাধ্যতামূলক করার পদক্ষেপকে সদর্থক হিসাবেই দেখছেন অধিকাংশ দেশবাসী। অবিলম্বে ভোট হলে দেশের চারভাগের মধ্যে তিনভাগেরও বেশি মানুষ মোদিকে ভোট দেবেন বলে ওই সমীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম নয়টি ভাষায় অনলাইনে এই সমীক্ষা চালায় ১২-১৫ ডিসেম্বর। ৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই সমীক্ষায় নিজেদের মতামত জানান। মাত্র ২০% মানুষ বলছেন, তাঁরা কংগ্রেসের নয়া প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীকে ভোট দেবেন। শনিবার সভাপতি পদে অভিষেকের আগে রাহুলের প্রতি এই বার্তা যথেষ্ট হতাশাব্যঞ্জক বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কংগ্রেসের জন্য আরও খারাপ খবর হল, ৭৩% মানুষই বিজেপির বিকল্প হিসাবে কংগ্রেসকে দেখতে চান না। তাঁরা মনেই করেন না যে কংগ্রেস দেশ চালাতে পারে। ৩৭% মানুষ জানিয়েছেন, গান্ধী পরিবারের বাইরে কাউকে সভাপতি পদে বসালে তাঁরা কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার কথা ভাববেন।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Saturday, 16 December 2017

প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ট মা, দেখে ফেলায় মায়ের হাতে খুন ছয় বছরের মেয়ে



প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ট অবস্থায় দেখে ফেলেছিল ছয় বছরের মেয়েটি। বাবাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা সে জানিয়েছিল তার মাকে। শেষে সেই 'অপরাধেই' মায়ের হাতে খুন হতে হল সেই একরত্তি শিশুটিকে। বুধবার রাতে এমনই এক ঘটনা ঘটে পূর্ব দিল্লির গাজিপুরে।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনাটি যাতে জানাজানি না হয়, তাই প্রেমিককে নিয়ে মেয়ে খুন করে ওই মহিলা। গলার নলি কেটে খুন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মা ও তার প্রেমিক সুধীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, ২৯ বছরের ওই মহিলার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্বামী ঠেলাগাড়ি চালান। অনেক দিন ধরেই সুধীরের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। ওই এলাকাতেই থাকত সে। দিনমজুরের কাজ করে সে। প্রতিনিয়তই মহিলার বাড়িতে তাকে দেখা যেত।

পুলিশ সূত্রে, বুধবার রাতে মহিলার স্বামী মদ্যপান করতে কাছে কোথাও গিয়েছিলেন। বাড়িতে দুই ছেলে টিভি দেখছিল। সেই সময় বাড়িতে আসে সুধীর। তাঁদের দু’জনকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখতে পায় তার মেয়ে। পরে তার বাবাকে জানিয়ে দেবে বলে জানায় ওই মেয়েটি।

এর পরই সুখেনের সঙ্গে ছক কষে খুন করা হয় মেয়েটিকে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সুধীর। মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না বলে দাবি করে পড়শিদের কাছে বিষয়টি জানান মহিলা। শেষে জানানো হয় পুলিশকে। এরপর পাশের বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হয় মেয়েটির রক্তাক্ত দেহ। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিত্সকরা।

এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘তদন্তের প্রথম দিকে অভিযুক্ত মহিলা চুপ করে থাকলেও অবশেষে জেরায় খুনের কথা স্বীকার করে।’
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে, কোনও ব্যবস্থা নিল না থানা



কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তর নাম রাজা সর্দার। এর আগেও এলাকার দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, মগরাহাট থানায় অভিযোগ জানালেও তারা এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।

ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। ওইদিন কিশোরীর বাবা ও মা বাড়িতে ছিলেন না। রাস্তার কল থেকে স্নান করে ফিরছিল বছর ১৪-র ওই কিশোরী। সেই সময় অভিযুক্ত রাজা সর্দার তার রাস্তা আটকায়। গামছা দিয়ে হাত বেঁধে, মুখ চেপে একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই কিশোরীকে ডায়মন্ডহারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল মগরাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে কিশোরীর পরিবার।

কিশোরীর মা বলেন, “রাজা যখন মেয়েকে ধর্ষণ করছিল তখন অনেকেই দেখেছিল। কিন্তু, কেউ বাধা দেয়নি। উলটে ধর্ষণের পর রাজার মা তাকে নিয়ে বাড়ি চলে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হতে অভিযুক্তর মা বাড়ি এসে তা চেপে যেতে বলে।” কিন্তু তাদের কথা না শুনে থানায় অভিযোগ জানানোয় কিশোরীর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন কিশোরীর মা। বলেন, “অভিযোগ জানানোর পর থেকে পুলিশ এখনও পর্যন্ত আমার মেয়ের শারীরিক পরীক্ষা করায়নি। অভিযুক্ত এখনও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।” তিনি আরও বলেন, “রাজা এর আগেও এলাকার দুটি মেয়েকে ধর্ষণ করে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে তখন কেউ কোনও অভিযোগ জানায়নি। তার রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় অভিযোগ জানায়নি কেউ।”

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

হাইকোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্যের, সংঘের স্কুল বন্ধ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ল রাজ্য সরকার



সংঘের স্কুল বন্ধ করতে গিয়ে আদালতে বিপাকে পড়ল রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ ছাড়া সংঘ পরিচালিত স্কুলগুলি রাজ্য বন্ধ করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিলেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়।

পরিকাঠামোর অভাব এবং প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অনুমোদন ছাড়াই চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ কর্তৃক পরিচালিত স্কুলগুলি। অবিলম্বে সেগুলি বন্ধ হওয়া উচিত। এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর। সেই নির্দেশ মতো বন্ধ হয়ে যায় ওই জেলায় সংঘ পরিচালিত ১০টি স্কুল।

রাজ্যে সংঘের প্রসার ঠেকাতে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার স্কুলগুলি বন্ধ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংঘ পরিচালিত স্কুলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আদালতে এমনই অভিযোগ করেছেন স্কুল কমিটির আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়।

সংঘের সংস্থা উত্তরবঙ্গ সারদা ট্রাস্টের অধীনে উত্তর দিনাজপুর জেলায় মোট ১০টি স্কুল চলে। যার মধ্যে রয়েছে সারদা শিশুতীর্থ স্কুল। চলতি বছরের মার্চ মাসের চার তারিখে ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টর স্কুল বন্ধের বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর সেই দশটি স্কুলে একত্রিত হয়ে মামলা করে কলকাতা হাই কোর্টে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, বিগত ১০ বছর ধরে স্কুলগুলি চলছে।

১২ মে ডিস্ট্রিক্ট ইনস্পেক্টরের জারি করা বিজ্ঞপ্তির উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফের মামলা করে রাজ্য সরকার। বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্য্যের বেঞ্চে ওঠে সেই মামলা। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন আদালতে কেন্দ্রের আইনজীবী অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল কৌশিক চন্দ্র বলেন, “শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার, তাই এটা কেউ খর্ব করতে পারে না।” উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর এদিন রায় দান স্থগিত রাখেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন যে যতদিন না পর্যন্ত রায়দান হচ্ছে ততদিন স্কুল বন্ধ করতে পারবে না রাজ্য।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Friday, 15 December 2017

বৌদি’র সঙ্গে জোর করে বিয়ে, আত্মহত্যা কিশোরের



বিধবাকে বৌদি’র সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর। বয়সে ১০ বছরের বড় স্ত্রী’কে মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যা করল ১৫ বছরের এক কিশোর। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গয়া জেলায়।

বাল্য বিবাহের যে ঘটনাগুলি এদেশে সাধারণত শোনা যায়। এটি তা নয়। তাই এক কিশোরকে জোর করে বৌদি’র সঙ্গে বিয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। গত সোমবার ঘটনাটি ঘটে গয়ার বিনোবা নগরে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত কিশোরের নাম মহাদেব দাস। জেলার এক সরকারি স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়াশোনা করত সে। জানা গেছে, দাদা সন্তোষের মৃত্যুর পর বৌদি রুবির সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় মহাদেবের। সন্তোষ ও রুবির দুই সন্তান রয়েছে। গ্রামের এক মন্দিরে পরিবার ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের সাক্ষী হিসেবে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আত্মহত্যা করে মহাদেব। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Tuesday, 12 December 2017

কি বলছেন শম্ভুলাল, কেন করেছিলেন এমন জঘন্য কাজ !!!



পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা আফরাজুল খানকে হত্যার মামলায় আপাতত শম্ভুলাল রেগরকে পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তাকে জেরা করে গোটা ঘটনা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

কি বলছেন শম্ভুলাল, কেন করেছিলেন এমন জঘন্য কাজ ?






Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

ত্রিপুরায় কালী মন্দিরে ভাঙচুর, কালী ও শিবমূর্তির চুল ছিঁড়ে মাটিতে



ত্রিপুরায় কালী মন্দিরে ভাঙচুর চালাল দুষ্কৃতীরা। 11 Dec রাতে গোমতী জেলার জামজুরি এলাকার একটি কালী মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। কালী ও শিবমূর্তির চুল ছিঁড়ে মাটিতে ফেলে দেয়। পুজোর সামগ্রী ভেঙে দেয়। সকালে স্থানীয়রা ঘটনাটি দেখতে পায়।

ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উদয়পুর-সোনামুড়া সড়ক অবরোধ করে। প্রায় দু’ঘণ্টা চলে অবরোধ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে আসে কাঁকড়াবন থানার পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলা হয়। দোষীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, দক্ষিণ জেলার বিলোনিয়া মহকুমার গাবুরছাড়া মগপাড়ায় 11 Dec রাতে কালী মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। সেখানেও কালীমূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে আসে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে এলাকাবাসীরা বলছেন, এটা শাসকদলের চাল। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা বাধানোর চেষ্টা করছে। রাজ্যে BJP বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের ঠেকাতে এসব পরিকল্পনা নিচ্ছে CPI(M)। 
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

চীন গত দুই মাসে ডকলামে নতুন সড়ক তৈরি করেছে, উপগ্রহ থেকে ছবি প্রকাশ



যদিও ডকলামে ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ এখনও শান্ত, তবে চীন সকলের চোখ থেকে এটি লুকিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছে। চীন গত দুই মাসে ডকলমে গোপনে নতুন রাস্তা তৈরি করেছে। সীমান্তের সংলগ্ন এলাকার উপগ্রহের নতুন ছবি দেখাচ্ছে যে চীনের রোড ওয়ার্কাররা বিদ্যমান সড়ককে প্রসারিত করেছেন, বিতর্কিত এলাকায় অনেকটা অংশ নিয়ে। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এখান থেকে প্রায় একটু দূরে যেখানে 70 দিন ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও চীনা সৈন্যরা সংঘর্ষের মধ্যে অবস্থান করেছিল।

স্যাটেলাইটের ছবি থেকে এটি স্পষ্ট হয় যে চীন ডকলামে নতুন সড়ক নির্মাণ করেছে। যদি উপগ্রহের ছবিগুলি বিশ্বাস করা হয়, তবে রাস্তাটির নতুনতম সীমাটি প্রায় এক কিলোমিটারে ছড়িয়ে আছে এবং এটি বিতর্কিত সাইটের 4.5 কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

সীমান্তের সংলগ্ন রাস্তাটির দ্বিতীয় নতুন সম্প্রসারণ বিতর্কিত সাইটটির প্রায় 7.3 কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এবং এটা উত্তর দিকের প্রায় 1.2 কিলোমিটারে ছড়িয়ে আছে।

গত 13 মাসে, এই এলাকায় চীনা সড়ক নির্মাণ কার্যক্রমের পুরোনো স্যাটেলাইট ইমেজের তুলনায় এটা স্পষ্ট যে, ফেব্রুয়ারি 19-এর পর নতুন অংশ তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু অন্তত দুটি অংশ সম্প্রতি 17 অক্টোবর এবং 8 ডিসেম্বরের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে।

জুনের মাঝামাঝি সময়ে, ভারতীয় সৈন্যরা সিক্কিম সীমান্ত অতিক্রম করে "চিকেন নেক" এর কাছাকাছি চীনা সড়ক নির্মাণ বন্ধ করে দেয় এবং ভারত এর সংকীর্ণ চিকেন নেক এলাকার কাছে একটি কৌশলগত রাস্তা নির্মাণ বন্ধ করে দেয়।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Sunday, 10 December 2017

বিমানে ‘শ্লীলতাহানি’ করা হল দঙ্গল-এর অভিনেত্রী কে, চোখে জল অভিনেত্রীর

 


দঙ্গল-এর দৌলতে গোটা দেশে তিনি পরিচিত মুখ। তাঁর অভিনয় দক্ষতা কুর্নিশ আদায় করেছে প্রায় সকলেরই। হেনস্তার হাত থেকে তবু মুক্তি পেলেন না তিনি। বিমানের মধ্যেই তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হল। এমনই অভিযোগ অভিনেত্রী জায়রা ওয়াসিমের।



অভিজাত বিমানসংস্থা ভিস্তারার যাত্রী ছিলেন জায়রা। সেখানেই অশালীন আচরণের মুখে পড়েন তিনি। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওয় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী। তিনি জানাচ্ছেন, কোন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল। যে সিটে জায়রা বাসেছিলেন, ঠিক তার পিছনের সিটেই যাত্রী ছিলেন এক প্রৌঢ়। অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে তার পা জায়রার সিটে তুলে দেয়। প্রতিবাদ করেন জায়রা। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পা নামাতে অস্বীকার করে ওই ব্যক্তি। উলটে নানাভাবে হেনস্তা করতে থাকে তরুণী অভিনেত্রীকে। পুরো ঘটনায় চোখে জল জায়রার। তিনি জানাচ্ছেন, ওই ব্যক্তি পা দিয়েই এরপর তাঁকে খোঁচাতে থাকে। শরীরের আপত্তিকর জায়গায় স্পর্শ করেন। বিমানের মধ্যে আধো অন্ধকারের সুযোগ নিয়েই কুকর্ম চালাতে থাকে ব্যক্তিটি। আলো এত কম ছিল যে, পুরো ঘটনার ঠিকঠাক ভিডিও করতে পারেননি অভিনেত্রী। তবে তাঁর অপর ভিডিওয় স্পষ্ট যে, ঘটনায় কতটা আহত হয়েছেন এই কাশ্মীরি কন্যা।




নারী নির্যাতন দেশে যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে উঠেছে। তা শুধু প্রত্যন্ত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। জায়রার ঘটনা যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, নির্যাতনকারীর মানসিকতায় কোনও ফারাক নেই। সে অভিজাত কোনও বিমানের অভ্যন্তরে হোক বা অন্য কোথাও। প্রায় প্রতিটি জায়গায় নারী নিজেকে সুরক্ষিত মনে করতে পারে না। কাঁদতে কাঁদতে জায়রার তাই প্রশ্ন, “এভাবে কেউ কারও সঙ্গে কী করে ব্যবহার করতে পারে? কেউ মহিলাদের সাহায্য করে না। যদি আমরাই আমাদের সাহায্য না করি, তাহলে কেউ এগিয়ে আসবে না।”



জায়রার অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ভিস্তারা কর্তৃপক্ষ। জায়রার মতো তরুণী যদি এরকম অভিজাত সংস্থায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়, তবে সংস্থার জন্যও তা ভাল বিজ্ঞাপন নয়। ইতিমধ্যেই ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে জায়রারা ঘটনা গোটা দেশকেই এক বড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল। নারী সুরক্ষা নিয়ে দেশ জুড়ে কম কথা হয় না। সেইসঙ্গে প্রায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নারী নির্যাতনও। এর শেষ কোথায়? জায়রার ভিডিও যেন সে প্রশ্নই তুলে দিচ্ছে।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

টাকা তুলতে ATM পিন দিয়েছেন, টাকা কাটার SMS এসে গিয়েছে অথচ টাকা বেরোয়নি : কি করবেন আপনি ?



সময় যত এগোচ্ছে, পাল্লা দিয়ে আসছে নিত্যনতুন প্রযুক্তি। কিছু প্রযুক্তির সুফল সত্যি পাচ্ছেন মানুষ। কিছু আবার মানুষকে করে তুলছে আরও বিব্রত। একটা কথা সকলেই প্রায় একবাক্যে স্বীকার করবেন, যে এটিএম এসে যাওয়ায় ব্যাঙ্কে গিয়ে টাকা তোলার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এটাও সত্যি যে, সেই এটিএম বিগরোলে একজন সাধারণ মানুষ যতটা বিপদে পড়েন, ততটা বিপদ হয়তো ব্যাঙ্কে গিয়ে টাকা তুললে পড়তেন না।

নোট বাতিলের পর দেশের বহু এটিএম মেশিনই একাধিকবার গ্রাহকদের বিপদে ফেলেছে। যেখানে ‘রি-ক্যালিব্রেশন’ করে এটিএমকে আরও আধুনিক করার কথা, সেখানে বরং হয়েছে উলটোটাই। মানুষ এটিএমে গিয়ে বহুবার বিপদে পড়েছেন। টাকা তুলতে চেয়ে পিন দিয়েছেন, অথচ টাকা বেরোয়নি। কিন্তু এসএমএস এসে গিয়েছে যে টাকা আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চোখে অন্ধকার দেখেন সাধারণ মানুষ। বাধ্য হয়ে ছুটতে হয় ব্যাঙ্কে। নোট বাতিলের পর সেখানেও অতিরিক্ত কাজের চাপ নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের অল্প কিছু টাকা সংক্রান্ত অভিযোগ নিতে বেশ কিছু ব্যাঙ্কই টালবাহানা করে। কিন্তু এ কথা কি জানেন যে এটিএম থেকে টাকা না বেরলে আপনি ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন! হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী, এটিএম থেকে টাকা না বেরলে প্রতিদিন আক্রান্ত গ্রাহককে ১০০ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে।

কী বলছে RBI?

১. সাতদিনের মধ্যে গ্রাহকের অভিযোগের সুরাহা করতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে।

২.  সাতদিনের মধ্যে গ্রাহকের অভিযোগের সুরাহা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আক্রান্ত গ্রাহককে। অভিযুক্ত ব্যাঙ্ক টাকা দিতে অস্বীকার করলে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন।

৩. তবে এর জন্য গ্রাহককে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে হাতে টাকা না পাওয়ার অভিযোগ নথিভুক্ত করতে হবে। ৩০ দিন পর অভিযোগ করলে বাড়তি ক্ষতিপূরণ না মিললেও গ্রাহকের পুরো টাকা ফিরিয়ে দিতে হবে যেটি এটিএম থেকে তোলার সময় কাটা হয়েছিল, অথচ গ্রাহক হাতে পাননি।

২০১১-র পয়লা জুলাই থেকেই এই নিয়ম চালু রয়েছে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

মেয়েকে গরম গরম কড়াইয়ের উপর বসিয়ে দেয় মা, পুড়ে যায় শিশুটির শরীরের একাধিক জায়গা



সামনে এল আরেক রাজ্যের চার বছরের এক শিশুকন্যার করুণ কাহিনি। না হায়দরাবাদের এস আর নগরের একরত্তি শিশুকন্যাটির উপর যৌন হেনস্তা নয়, তবে তার উপর নিত্য চলেছে শারীরিক অত্যাচার। আর সেই অভিযোগ উঠেছে খোদ শিশুটির মায়ের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, অত্যাচারের মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে নিজের মেয়েকে গরম কড়াইয়ের উপর বসাতেও দ্বিধাবোধ করেনি অভিযুক্ত মহিলা।

জানা গিয়েছে, গত রবিবার সকালে নমপল্লির একটি সেন্টারে যায় ললিতা নামে অভিযুক্ত মহিলা এবং এক ব্যক্তি। সঙ্গে ছিল চার বছরের মেয়েটিও। সেন্টারে উপস্থিত আধিকারিকদের তারা জানায়, শিশুটিকে রেলস্টেশন থেকে কুড়িয়ে পেয়েছেন। তারা তাকে নিজেদের কাছে রাখতে চাইলেও শিশুটি থাকতে চাইছে না। কিন্তু আধিকারিকরা পাতানো এই গল্পে বিশ্বাস করেননি। এরপর ওই দু’জনকে একটু চাপ দিতেই বেরিয়ে আসে সারসত্য। ওই মহিলা জানায়, মেয়েটি আসলে তারই। কিন্তু তাকে তিনি নিজের কাছে রাখতে চান না, তাই এভাবে শিশুটিকে দূরে সরাতে চান। এরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হলে, পুলিশ এসে ওই দু’জনকে আটক করে। পরে জানা যায়, ওই মহিলা আসলে বিবাহিত। আগে শ্রীকাকুলামে থাকতেন। তার মোট তিনজন কন্যাসন্তান রয়েছে। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে বসবাস না করে নিজের প্রেমিকের সঙ্গে এস আর নগরে চলে আসে ললিতা। সেখানেই দু’জন একটি জায়গায় কাজে যোগ দেয় এবং একসঙ্গে থাকতেও শুরু করে। কিন্তু বারংবার তার প্রেমিক ওই চার বছরের শিশুটিকে নিজেদের কাছে রাখার জন্য আপত্তি জানাতে থাকে। এমনকী ললিতার উপর নানাভাবে চাপও সৃষ্টি করতে থাকে।

এরপরই জেরায় আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পারেন পুলিশের আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, চারদিন আগে গরম কড়াইয়ের উপর মেয়েকে বসিয়ে দেয় ওই মহিলা। এমনকী তাকে মারধরও করে। এর ফলে শরীরের একাধিক জায়গায় পুড়ে যায় শিশুটির। যদিও ওই মহিলা জানিয়েছে, সে ইচ্ছাকৃতভাবে ওই ঘৃণ্য কাজটি করেনি। হাত থেকে ল্যাপটপ ফেলে দেওয়ার জন্য ললিতা মেয়েকে চড় মারে আর তারপরই সে গরম কড়াইয়ের উপর পড়ে যায়। ইতিমধ্যে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা গোটা ঘটনাটির তদন্ত করছে। তারপরই তাঁরা শিশুটির ভবিষ্যতের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করার অপরাধে এক হিন্দু যুবকের শিরচ্ছেদ করা হয়েছিল মুর্শিদাবাদে, কিন্তু প্রতিবাদ করেনি কেউ

   
প্রতীকী ছবি


রাজস্থানে মুসলিম ব্যক্তিকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় আশানুরুপ ভাবেই সেকুলার, বামপন্থী এবং বুদ্ধিজীবীদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। সুবাই মিলে একযোগে rss, bjp তথা হিন্দু সমাজকে খুনি সন্ত্রাসী বলছে যারা অনান্য সব ঘটনায় হয় চুপ থাকে বা বলে বেড়ায় সন্ত্রাসের কোন ধর্ম হয়না। যদিও শত চেষ্টার পরেও rss বা বিজেপির কোন যোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

একটু কৌতূহল বশত পুরনো ঘটনা খুঁজতে গিয়ে জানাগেল ২০০৮ সালে মুর্শিদাবাদের মাটিতে ঘটে যাওয়া এক নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনা যেখানে মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করার অপরাধে স্থানীয় ধর্মীয় মোড়লদের বিচারে এক হিন্দু যুবকের শিরচ্ছেদ করা হয়েছিল। তখন সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না। তাই খবরটা স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই মিডিয়া চেপে গিয়েছিল। যদি সেটা ভিডিও করা হতো তাহলে সেটা রাজস্থানের ঘটনার থেকে অনেক বেশী বীভৎস হতো।


৩০ বছর বয়সী বিহারের মূল নিবাসী শৈলেন্দ্র মুম্বাইয়ে নির্মান্ন কর্মীর কাজ করতো। তার স্ত্রী মুর্শিদাবাদের মানেরাও পরিবারের আর্থিক সমস্যার জন্য মুম্বাইয়ে পরিচারিকার কাজে যোগ দিয়েছিল। সেখানেই তাদের প্রেম হয় এবং পরে ২০০৬ সালে তারা কোর্ট ম্যারেজ করে। কিন্তু মানেরার বাড়ির লোক ধর্মান্ধ হওয়ায় তারা শৈলেন্দ্রর ধর্মের কথাটা ভয়ে বাড়িতে জানায়নি। এর পর ২০০৮ সালের ১৪ই জুলাই ১০ মাসের ছেলেকে নিয়ে তারা মানেরার বাড়িতে আসে।

পুলিশের মতে- রাস্তা দিয়ে একটি জানাজা যাওয়ার সময় তার মুখ দিয়ে কিছু শব্দ বেরোয় যা হিন্দুরা মারা গেলে বলা হয়। এই কথাগুলো তার শ্বশুর শুনতে পেয়ে গ্রামের মাতব্বরদের জানায়। এরপর তার ধর্ম জানার জন্য গ্রামে পঞ্চায়েত ডাকা হয়। সেখানে শৈলেন্দ্রকেও ডাকা হয়। সেখানেই তার মুন্ডচ্ছেদ করার ফতোয়া দেওয়া হয়। সেই মতো তাকে প্রথমে প্রচন্ড মারধোর করা হয় এবং পরে তাকে গলা কেটে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। এর পর মৃতদেহ পাট ক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়।

গ্রামের সবাই শৈলেন্দ্রের এই পরিণতির কথা জানলেও তার স্ত্রীকে জানানো হয়নি। ১৭ নভেম্বর পুলিশ এক বেওয়ারিশ দেহ পাওয়ার খবর পায়। তখনও তার পরিচয় জানা যায়নি।

এরপর তার স্ত্রী মৃতদেহ পাওয়ার খবর শুনে থানায় গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। পুলিশ পরে খুনের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে এরপর তাদের কোন শাস্তি হয়েছিল কিনা সেই ব্যাপারে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

অবাক ব্যাপার হলো সেই সময় রাজ্য রাজনীতি রিজওয়ানুরের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হচ্ছিল, যেখানে বিরোধী নেতৃ মমতা ব্যানার্জী একটা আত্মহত্যাকে হিন্দু দ্বারা এক নিরীহ মুসলিম যুবকের হত্যা করা হয়েছে বলে আকাশ পাতাল তোলপাড় করছিলেন যা পরে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। তাই স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই শৈলেন্দ্রের মৃত্যু তাকে নাড়া দেয়নি কারণ এটা তার ধর্মের রাজনীতির সাথে খাপ খাই না।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Tuesday, 5 December 2017

চকোলেটের অন্ধকার সফরের কাহিনি



ঠিক এই মুহুর্তে কলকাতার এক শপিং মলের বাইরে দাঁড়িয়ে অভিমানী প্রেমিকার হাতে চকোলেটের গিফট প্যাক তুলে দিচ্ছে দেরি করে আসা প্রেমিক... ঠিক এই মুহুর্তে দিল্লীর এক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে সিঙ্গেল মল্টের সাথে ডার্ক চকোলেট আর তন্দুরি চিকেন সহযোগে পার্টি চলছে... ঠিক এই মুহুর্তে আপনার কন্যাটির মুখে হাসি ফুটেছে সারাদিন পরে... মুখে লেগে আছে কোকোর গন্ধ.... ঠিক এই মুহুর্তে অ্যালি পালাচ্ছে.....চকোলেট ছেড়ে... চকোলেটের গন্ধে বমি পায় তার!

এই পর্যন্ত পড়ে যারা ভাবছেন আমি একটা থ্রিলার লিখছি, অপেক্ষা করছেন একটা চেজ অ্যান্ড রান সাস্পেন্স এর, তারা বরং টিভি খুলে ক্যাডবেরির অ্যাডে মন দিন.... । বাকিরা আমার সাথে চলুন সাত সমুন্দর পেড়িয়ে এক অন্ধকার সফরে। যার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে ডার্ক চকোলেট... অন্ধকার। এতটাই যেখানে নিশ্বাস নেওয়াও বারণ...

না, অ্যালি পালাতে পারবে না। যেমন পারবে না ১.৮ মিলিয়ন আফ্রিকান শিশু যারা তাদের শৈশব র‍্যাপিং পেপারে মুড়ে ঢেলে দিচ্ছে আমার আপনার সন্তানের মুখে। আইভরি কোস্ট আর ঘানা। পশ্চিম আফ্রিকার এই দুটো দেশে পৃথিবীর মোট কোকোর ৭০% চাষ করা হয়। কালো মানুষ, কালো মাটি, কালো চকোলেট। কিন্তু অ্যালি কে? কোথা থেকে পালাচ্ছে সে? আসুন, ওর সাথে পরিচয় করা যাক।




অ্যালির বাড়ি মালিতে। পৃথিবীর সবথেকে পিছিয়ে পরা দশটি দেশের মধ্যে একটি। এক মাথা কোঁকড়া কোঁকড়া চুল, মায়াবী চোখ। রাত্রে আগুনের পাশে বসে বুড়োবাবা মানে অ্যালির ঠাকুর্দা গল্প বলত। এক দৈত্যের গল্প। যে উত্তরের জঙ্গলে থাকে। বাচ্চা দেখলে তার রক্ত চুষে পুতুল বানিয়ে দেয়। ছোট্ট অ্যালি ভয় পেত। একদিন সেই দৈত্য ওকে ধরে নিয়ে গেল সামান্য ৮০ ডলারের বিনিময়ে। তখন ওর বয়স ৫। চমকে যাবেন না বন্ধুরা। শুধু একবার তাকিয়ে দেখুন আপনার শিশুটির দিকে।



যাইহোক,  প্রতিদিন হাজার হাজার বাচ্চা পাচার হয়ে যায় মালি, বুরকিনা ফাসো এইসব প্রতিবেশী দেশ থেকে ঘানা, আইভরির কোকো ফার্মগুলোতে। স্কুল, কাজ, ডলারের লোভ দেখিয়ে বা রাস্তা থেকে তুলে আনা হয় বাচ্চাদের। সকাল ছটা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত অমানুষিক পরিশ্রম করানো হয়। খাদ্য বলতে সস্তার ভুট্টা সেদ্ধ আর কলা। রাত্রে জানোয়ারের মত জানলা দরজা হীন কাঠের আস্তাবলে ফেলে রাখা হয়। কখনো শিকল দিয়ে বেঁধে। তার মধ্যে যারা পালানোর চেষ্টা করে তাদের ভাগ্যে থাকে বেধরক মার। মার খেয়ে বা ধর্ষণে মরে গেলে নদীতে বা কুকুরের মুখে ছুঁড়ে দেওয়া হয় শরীর।



ভয় লাগছে? ঘেন্না লাগছে? আপনার শিশুটির মুখে লেগে থাকা চকোলেটের খয়েরী দাগের দিকে তাকাচ্ছেন? তাহলে আর পড়বেন না। কারণ ইন্টারন্যাশনাল লেবার ল এখানে অকেজো। মায়া, ভালোবাসা নেই এখানে। আছে নৃশংসতা, আছে রক্ত। যা শুকিয়ে কালো হয়ে আছে আপনার ফ্রিজে রাখা চকোলেটে...



বিশ্ববিখ্যাত চকোলেট কোম্পানিগুলো যেমন নেসলে, হার্সেস, মার্স এখান থেকে কোকো কেনে। প্রতিযোগিতার বাজারে কোকোর দাম কম রাখার জন্যই শিশু শ্রমিক দরকার। কারণ ৫-১২ বছর বয়সীরা মজুরী পায় না। তার ওপরে তারা কোকো ফিল্ডের দুর্গম জায়গায় যেতে পারে, যেখানে একটু বড়রা ঢুকতে পারবে না। হ্যা, পোকা, সাপ আর বিছের কামড়ে বেশ কিছু বাচ্চা মারা যায়, কিন্তু তাতে মালিকদের কিছু যায় আসে না। দারিদ্র‍্য থাকবে, বাচ্চার যোগানও থাকবে। বড় কোম্পানিগুলো চুপ করে থাকবে সস্তায় কোকো পাওয়ার জন্য। আমরাও মজে থাকবো বিদেশী চকোলেটের স্বাদে.... চিয়ার্স!




কোকো ফার্মের শিশু শ্রমিকদের ৪০% মেয়ে। তাদের বয়সন্ধি আসে, যৌবন আসে এই কোকো বাগানেই। এদের অধিকাংশই সারা জীবনে তাদের পরিবারের সাথে দেখা করতে পারে না। কারণ এখানে আসা সোজা, বেরোনো কঠিন না, অসম্ভব। মালিক, ঠিকাদার, সুপারভাইজার, পুলিশ এমনকি মজুরদের যৌনতৃপ্তি মেটায় মেয়েরা। ১১ বছরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। পাল্লা দিয়ে বাড়ে যৌনরোগ। পচে, গলে যায় শৈশব। স্বপ্নে পোকা আসে, বিষাক্ত ভয়ংকর সব পোকা। খুবলে খায় হৃদয়... চকোলেটি হৃদয়!







কাজের নমুনা? দুর্বল হৃদয়রা পড়বেন না। স্কিপ করে যান। মেছেটে হল এমন একটি ছুরি যা চালালে একটা শিশুকে কিমা বানিয়ে দেওয়া যায় কয়েক মিনিটে। বাচ্চাদের কে মেছেটে ধরিয়ে দেওয়া হয় কোকো বিন পেড়ে সেটাকে বস্তায় পুড়ে ঝাড়াই বাছাই করার জন্য। কারোর আঙুল কাটা যায়, কারোর গায়ে গভীর ক্ষত। ১০ বছরের বাচ্চাকে পিঠে ১০০ কেজির বস্তা নিয়ে চলতে হয়। একটু বিশ্রামের জন্য চাবুকের বাড়ি পড়ে





কি ভাবছেন? মধ্যযুগ? না স্যার। এই ফেসবুকের যুগেই এই ক্রীতদাস প্রথা চলছে এবং এই অন্ধকার থেকেই বেরোচ্ছে আমার আপনার প্রিয় ডার্ক চকোলেট...

আমি জানিনা এখনো অ্যালি পালাতে পেরেছিল কিনা! কিন্তু বিশ্বাস রাখি, অ্যালি একদিন পালাতে পারবে। পালিয়ে যাবে অনেক দূর। এবেদি পেলের মত ফুটবলার হবে। শুধু ও না, শেকল খুলে যাবে ওর মত লাখ লাখ বন্দী প্রজাপতির...



হ্যা, একটা কথা বলা হয়নি। অ্যালি চকোলেট খায়নি কোনোদিন। স্বাদ জানে না। সান্তা আসেনা কখনো ওর কাছে। ও এটাও জানে না ওর রক্ত খুব সুস্বাদু...

(সুত্র : দ্য ডার্ক সাইড অফ চকোলেট (২০১০), পরিচালক: ড্যানিশ সাংবাদিক মিকি মিস্ত্রাতি)
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Sunday, 3 December 2017

জি ডি বিড়লার ছায়া, ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহ-সিগারেটের ছেঁকা



জি ডি বিড়লায় একরত্তির উপর অত্যাচারে শিউরে উঠেছে গোটা বাংলা। শিক্ষকের এমন আচরণে সর্বত্র ক্ষোভের বিস্ফোরণ। মহানগর থেকে কিছুটা দূরে এমনই এক শিক্ষকরূপী ‘রাক্ষসের’ পাল্লায় পড়েছিল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। মেয়েটি খানিকটা ভারসাম্যহীন। এই সুযোগে দিনের পর দিন চলতে থাকে যৌন হেনস্তা। ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সোচ্চার নদিয়ার হাঁসখালি।



নির্যাতিতার বাড়ি হাঁসখালি থানার গাঁড়াপোতা এলাকায়। অভিযুক্ত প্রণয় রায় ছাত্রীর এক আত্মীয়কে পড়াত। সেই সুযোগে প্রণয় তাকে টিফিনের সময়ে স্কুলের পাশে এক নির্মীয়মান বাড়িতে রোজ নিয়ে যেত। একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে চলত কুকর্ম। যৌন লালসা মিটিয়েও সে শান্ত হত না। মেয়েটির গায়ে সিগারেটের ছেঁকা দিত। তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর সহপাঠীরা কিছুদিন আগে খেয়াল করে টিফিনের সময় সে থাকে না। গত বৃহস্পতিবার সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গিয়ে ছাত্রীটির সহপাঠীরা ওই শিক্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তারপর মেয়েটির বাড়িতে তার বন্ধুরা গোটা ঘটনা জানায়। প্রথমে ছাত্রীর ওই অবস্থা বাড়ির লোকজন না বুঝলেও বন্ধুদের অভিযোগে তাদের চোখ খুলে যায়। শুক্রবার নির্যাতিতাকে নিয়ে যাওয়া হয় বগুলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। মেডিক্যাল রিপোর্টে যৌন হেনস্থার প্রমাণ মেলে। এরপর হাঁসখালি থানায় প্রণয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। কিন্তু তার আগে প্রণয় ও তার পরিবার বেপাত্তা হয়ে যায়।

শনিবার এ খবর জানাজানি হতে প্রতিবেশীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিযুক্তর বাড়িতে চলে ভাঙচুর। অভিযুক্তর শাস্তির দাবিতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলা-নোনাগঞ্জ রাজ্য সড়ক প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করা হয়। নির্যাতিতার ঠাকুমার বক্তব্য তার মেজ ছেলে শারীরিকভাবে সক্ষম নন। ওই ছেলের তিন মেয়েরও শারীরিক সমস্যা রয়েছে। ঠিক মতো কথা বলতে বা বোঝাতে পারে না। এর সুযোগ প্রণয় এই কুকর্ম দিনের পর দিন চালিয়ে যায়। গায়ে ছ্যাঁকা দিয়েও সে থামেনি। আঁচড়ানোও হয়।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মাথা তুলতে চলেছে ‘কলকাতা আই’



আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কাজ শুরু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সপ্নের কলকাতা আই৷ প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে জায়ান্ট হুইল৷ বৃহস্পতিবার নির্মাণকারী সংস্থা কনসরটিয়াম অফ সান কনসালটিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর একথা জানালেন পুর ও নগরোন্নায়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ তিনি জানিয়েছেন, নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করতে সংস্থাকে ১৮ মাস সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে৷

কী এই কলকাতা আই?

কলকাতা আই হল লন্ডন আইয়ের ধাঁচে তৈরি শীতাতপ-নিয়ন্ত্রিত নাগরদোলা৷ পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কে প্রায় দু একর জমিতে  কলকাতা আই তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই নাগরদোলা থেকে গঙ্গা সহ গোটা কলকাতা শহরকে দেখা যাবে৷ ১২০ মিটার(৩৯০ ফুট) উচ্চতার এই জায়ান্ট হুইলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে পর্যটন কেন্দ্র৷ এর ব্যাস ১৮০ মিটার(৫৯০ ফুট)৷ গোটা নাগরদোলার মধ্যে প্রায় ৫০০জনকে বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন ৩০টি প্যাসেঞ্জার ক্যাপসুল থাকবে৷ পুরোটা ঘুরতে সময় লাগবে প্রায় ৩০মিনিট৷ জানা গিয়েছে, প্রকল্পের খরচ ৩৭৯ কোটি টাকা৷ এর মধ্যে রাজ্য সরকার দেবে ৮১ কোটি টাকা৷

কেএমডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে কনসরটিয়াম অফ সান কনসালটিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড নামে একটি ব্রিটিশ সংস্থা এই জায়ান্ট হুইল নির্মাণের বরাত পায়৷ কিন্তু কাজ শুরুর আগেই পরিবেশ আদালতের নির্দেশে আটকে যায় সেই প্রকল্প৷ ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, পরিবেশ আদালতের জট প্রায় খোলার মুখে৷

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

দম্পতির লাগেজের মধ্যে কিলবিল করছে ২০০টি জ্যান্ত আরশোলা, তাজ্জব বিমানবন্দরের কর্মীরা



লাগেজের মধ্যে কিলবিল করছে শ’দুয়েক জ্যান্ত আরশোলা। আবিষ্কার করে তাজ্জব বিমানবন্দরের কর্মীরা। নাহ, আকস্মিকভাবে পতঙ্গরা ব্যাগের মধ্যে ঢুকে পড়েনি। কোনও অঘটনও ঘটেনি। জেনেবুঝেই সেগুলিকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন এক দম্পতি।

বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঘটনা। চিনা ওই দম্পতির লাগেজ যখন এক্স রে স্ক্যানারের মধ্যে দিয়ে পাঠানো হচ্ছিল, তখনই জীবন্ত বস্তুর উপস্থিতি নজরে আসে নিরাপত্তাকর্মীদের। বুঝতে পারেন ব্যাগের মধ্যে কোনও প্রাণী আছে। কর্মীদের প্রাথমিক ধারণা ছিল, কোনও পোষ্যকে বোধহয় বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দম্পতি। কিন্তু ব্যাগ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। দেখা যায়, আর কিছু নয়, একটা থলের মধ্যে কিলবিল করছে শ-দুয়েক আরশোলা। কী করে এত আরশোলা ব্যাগে এল। এ কি আকস্মিক কোনও ঘটনা। নাকি দম্পতি এ বিষয়ে অবহিত। ব্যাগ খুলতেই বেশ কয়েকটি আরশোলা বাইরে বেরিয়ে আসে। নিরাপত্তারক্ষীরা অবাক হন, যখন ব্যাগ খোলামাত্র কেঁদে ফেলন ওই মহিলা। বোঝাই যায়, আরশোলারা তাঁর বড় আদরের ধন। এরপরই কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়। তাতে আরও একদফা অবাক হওয়ার পালা। জানা যায়, সম্পূর্ণ জ্ঞাতসারেই এ কাজ করেছেন দম্পতি। এবং আরশোলাগুলি কাজে লাগে মহিলারই।

কী কাজ। নিরাপত্তাকর্মীরা জানতে পারেন, ত্বকের পরিচর্যার জন্যই সেগুলিকে কাজে লাগানো হয়। কবুল করেন মহিলার স্বামী। ত্বকের যত্নের এ বেশ পুরনো এক প্রচলিত পদ্ধতি। যেখানে নানারকম ক্রিমের সঙ্গে আরশোলা মিশিয়ে প্রলেপ লাগানো হয়। বিশ্বাস এতে নাকি চর্মরোগ সেরেও যায়। সে কারণেই এতগুলো আরশোলা নিয়েই উড়ানে উঠতে চলেছিলেন ওই দম্পতি।

তবে যত মায়াই থাক না কেন, নিরাপত্তাকর্মীরা নিরূপায়। তাঁরা আরশোলাগুলিকে বিমানে ওঠার অনুমতি দেননি। ফলে মায়া ত্যাগ করেই বিমান ধরতে হয় ওই দম্পতিকে। সাধের আরশোলাগুলির তাহলে কী হল। সে ইতিহাস গোপন থাকাই ভাল।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Wednesday, 29 November 2017

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পথ এবার তাহলে চিনও অনুসরণ করল!!



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পথ এবার তাহলে চিনও অনুসরণ করল? ভারতের স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মতোই এবার চিন টয়লেট রেভলিউশন বা শৌচাগার বিপ্লব শুরু করেছে৷ এই বিপ্লবের বিষয়ে স্বয়ং চিনা প্রেসিডেন্ট জি জিংপিং জানিয়েছেন, সভ্য সমাজের জন্য এবং স্বচ্ছতার জন্য শৌচালয়ের উন্নতি প্রয়োজনীয়৷ শহর এবং গ্রাম উভয়ক্ষেত্রের উন্নতির ওপরেই জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জিংপিং৷ তিনি আরও জানান, শৌচালয়ের সমস্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷

প্রসঙ্গত, স্বচ্ছ ভারত অভিযানের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী সমগ্র দেশে শৌচালয় স্থানের ওপর জোর দেন৷ এবং তা ব্যবহারের বিষয়ে জনসচেতনতার বৃদ্ধির দিকে নজর দেন৷ একটি সভ্য সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ উদ্বুদ্ধ করে অনেককেই৷

এদিকে চিন টয়লেট রেভলিউশন যোজনার জন্য তিন বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অরগানাইজেশন-এর মতে, প্রথম চার শীর্ষ দেশের মধ্যে চিন রয়েছে, যেখানে গত বছরে সবথেকে বেশি বিদেশী পর্যটকেরা এসেছে৷ ২০১৬ সালে ৫কোটি ৯৩লক্ষ পর্যটক গিয়েছিল৷ মনে করা হচ্ছে, এই কারণেই চিনের ন্যাশনাল ট্যুরিজম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুযায়ী, ২০২০সাল পর্যন্ত ৬৪,০০০ শৌচালয় তৈরি এবং তার উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে৷

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Tuesday, 28 November 2017

এস দুর্গার ছবি দেখানো নিয়ে ধোঁয়াশা, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন পরিচালক



ভারতীয় প্যানোরামার সিংহভাগ সদস্য তাঁর ছবি এস দুর্গা দেখানোর পক্ষে। তবুও গোয়ার পানাজিতে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন পরিচালক সানাল কুমার শশীধরণ। আজ উৎসবের শেষ দিনেও এস দুর্গা দেখানো না হলে তিনি আদালতে যেতে পারেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হতে চলা ছবির চূড়ান্ত তালিকা থেকে বিতর্কিত ছবি এস দুর্গা বাদ দেয়। কিন্তু উৎসব শুরুর একদিন পর, ২১ তারিখ কেরল হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ছবিটি ওখানে দেখাতে হবে। নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিল মন্ত্রক, সেই দাবি আদালতে খারিজ হয়ে যায়।

এরপর জুরি সদস্যরা গতকাল রাতে এস দুর্গার কাটছাঁট হওয়ার পরের ভার্সন দেখেন। শশীধরণের দাবি, ১১ জনের মধ্যে ৭ জনই তাঁর ছবি দেখানোর পক্ষে কিন্তু বেঁকে বসেছেন বাকি ৪ জন।

এই ৪ জুরি সদস্যের মধ্যে ৩ জন নতুন। এস দুর্গা ও ন্যুড চলচ্চিত্র উৎসব থেকে বাদ পড়ায় প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন জুরি চেয়ারম্যান সুজয় ঘোষ ও ২ সদস্য অপূর্ব আসরানি আর জ্ঞান কোরিয়া। তাঁদের জায়গায় আসা ৩ সদস্য সুধীর চৌধুরী, সতীশ কৌশিক ও বিবেক অগ্নিহোত্রী বলেন, এস দুর্গা প্রদর্শিত হোক, তা তাঁরা চান না। এই ৩ জনের সঙ্গে যোগ দেন পুরনো এক সদস্য। ফলে ছবিটি আজ উৎসবের শেষ দিনেও দেখানো হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

শশীধরণ জানিয়েছেন, তাঁর ছবি দেখানো না হলে আজ বিকেলে উৎসব চত্বরে বিক্ষোভ দেখাবেন তিনি।

এছাড়া এর অগে ছবির নামের সামনে থেকে উড়িয়ে দিতে হয়েছিল​ ‘সেক্সি’ শব্দটি। এছাড়া এর ভেতর ২১টি স্থানে অপ্রকাশযোগ্য শব্দ ছিল। সেখানে ‌’বিপ’ দিতে হয়েছে।



সেক্সি দুর্গা (Sexy Durga) নাম পাল্টে ওই মালয়ালম ছবির নামকরণ করা হয়েছিল এস দুর্গা (S Durga). 
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Monday, 27 November 2017

বিয়ে দুজন মানুষের বন্ধন, একজনের বেশি অধিকার থাকতে পারে না, তিন তালাকের বিরুদ্ধে বিশ্বসুন্দরী মানুষী ছিল্লার



মুম্বই: বিয়ে দুজন মানুষের বন্ধন। কোনও একজনের তার ওপর বেশি অধিকার থাকতে পারে না। সুপ্রিম কোর্টে নিষিদ্ধ হওয়া তিন তালাক প্রথার বিরুদ্ধে এভাবেই সরব হলেন বিশ্বসুন্দরী মানুষী ছিল্লার।

তিন তালাক থেকে যৌন নিগ্রহ- এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নানা সামাজিক ব্যাধি নিয়ে মুখ খুলেছেন মানুষী। তাঁর কথায়, বিয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে অত্যন্ত বিশেষ একটি বন্ধুত্বের বন্ধন। এর ওপর কোনও একজনের অধিকার অন্যজনের থেকে বেশি হতে পারে না। নাবালিকাদের ওপর যৌন নিগ্রহ নিয়েও সরব হন তিনি। বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা দেওয়া একান্ত জরুরি কারণ যখন আপনি একটি শিশুকে নিরাপত্তা দেন, তখন নিরাপদ হয় আপনার দেশও। এ ধরনের শিশুরা বিস্ময়কর নানা কাজ করতে পারে। প্রত্যেকের বড় হওয়ার স্বাভাবিক জীবন পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

এছাড়া একেবারে তৃণমূল স্তরে বাড়িতেই শিশুদের মহিলাদের সম্মান করতে শেখানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি বলেছেন। তাঁর কথায়, শিক্ষা সবথেকে জরুরি। যখন আপনি আপনার বাড়ির মহিলাকে সম্মান করেন, তখন সমাজের অন্যান্য মহিলাদেরও সম্মান করতে পারবেন। শিক্ষা তাই শুধু স্কুলে নয়, বাড়িতেও হওয়া প্রয়োজন।

এই মুহূর্তে বলিউডে নাম লেখাতে চান না মানুষী। তবে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁর আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেছেন, অভিনয় অত্যন্ত ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। তিনি থিয়েটার করেছেন, এই মুহূর্তে অবশ্য আর করতে চান না। তবে যদি পড়াশোনার পাশাপাশি ছবিতেও সুযোগ পান, হয়তো ভাববেন এ ব্যাপারে।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

আট বছর বয়স থেকে ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে স্তন, ভয়ঙ্কর অবস্থার মুখোমুখি হতে হচ্ছে এই মহিলাকে



ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে স্তন। গত আট বছর বয়স থেকে বাড়তে চলেছে স্তন। আজ দুই সন্তানের মা হওয়ার পর ভয়ঙ্কর অবস্থার মুখোমুখি হতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার এক মহিলাকে। সাইজ হয়ে দাঁড়িয়েছে কে-কাপ। অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন অস্ত্রোপচারের। কিন্তু তাঁর নিজের দেশে এই অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা নেই। যেতে হবে বিদেশে। প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু জমানো বলতে কিছুই নেই। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যে বড় মাপের অন্তর্বাস প্রয়োজন তাঁর এখন। সেটাও কিনতে পাচ্ছেন না শেরিডান লার্কম্যান। তবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়াটাও প্রয়োজন। আর সেজন্যে টাকা রোজগারের সন্ধানে মহিলা। আর এই জন্যে একটি ক্যাম্পেনও শুরু করেছেন তিনি।



আক্রান্ত মহিলা শেরিডান জানিয়েছেন, ১৬ বছর বয়সে এই সমস্যা নিয়ে তিনি চিকিত্সকের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্যা থেকে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাওয়া যাবে বলে আশ্বাস দেন ডাক্তাররা। কিন্তু সেই সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে নি। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। বাড়ির বাইরে পুরুষদের অভব্য মন্তব্যের শিকারও হতে হয়েছে তাঁকে। এমনকি বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল বার্তাও পান তিনি। এই স্তনের সমস্যার জন্য দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে অসুবিধা হয় ২৩ বছরের শেরিডানের। সহজেই বাড়ির বাইরে বেরোনোর উপায়ও নেই তাঁর। সেই সঙ্গে শরীরে অসহ্য যন্ত্রনা হয় তাঁর। পিঠ, ঘাড়ের প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। মেরুদণ্ডের সমস্যাও ভোগাচ্ছে তাঁকে। আর তাই লোকের কাছে অর্থের জন্যে হাপিত্তের করছে শেরিডান।




Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

কাশ্মীরের মাঠে এসে এমএস ধোনি শুনলেন পাকিস্তানের বন্দনা



শ্রীনগর : কাশ্মীরের মাঠে এসে এমএসডি শুনলেন আফ্রিদি বন্দনা। রাঁচির ‘বিস্ময় বালক’ মাঠে প্রবেশ করলে অথবা ব্যাট হাতে দাঁড়ালে শুধু তাঁর নাম নিয়েই স্টেডিয়াম ফাটিয়েছে দর্শক। মেক্সিকান ওয়েভ উঠেছে ধোনি নামে। এই ভারতে দাঁড়িয়েই ধোনিকে শুনতে হল পাক ক্রিকেটার বন্দ্না।

রবিবার কাশ্মীর বারামুলা জেলার কুঞ্জারে গিয়েছিলেন স্থানীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচের অতিথি হিসাবে। ‘চিনার প্রিমিয়ার লিগ’-এর এই ম্যাচে এসেই দেশের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ককে শুনতে হল প্রতিবেশী দেশের ক্রিকেটারের নাম নিয়ে বন্দনা। শুধু এতেই ঘটনা থেমে থাকেনি। বেশ কয়েকজন স্থানীয় শাহিদ আফ্রিদির নাম নিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। ধোনির উপস্থিতিতে লীগের ম্যাচ দেখতে সেখানে হাজির হয়েছিলেন বহু মানুষ। ধোনি বারামুলার ওই মাঠে প্রবেশ করবার সময়েই শোনা যায় ‘বুম বুম আফ্রিদি’-র স্লোগান। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে স্থানীয় কিছু মানুষই দেশের সফলতম অধিনায়কের মাঠে প্রবেশ করার সময় ওই কাণ্ড ঘটায়।

লজ্জাকর হলেও দেশটার নাম ভারত বলেই হয়তো এমন ঘটনা সম্ভব। এমএস এই মুহূর্তে ভারতীয় সেনার সাম্মানিক ল্যাফটেনন্ট জেনারেল। যেহেতু তাঁর সঙ্গে ক্রিকেটও জড়িত তাই সেনা আয়োজিত ক্রিকেট লিগে স্বাভাবিক ভাবেই তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন।

কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের আন্দোলন যে থেমেও থামেনি তার প্রমান রবিবারের ঘটনা। জোর করে চেপে রাখা হয়েছে ‘শত্রু’ পাকিস্তানের গুনগান করা। একটু চাপ দিলেই যেকোনো সময়েই ফের শুরু হতে পারে এই আন্দোলন। না হলে খেলার ময়দান ছাড়া বা কোনও ক্রিকেটীয় যুদ্ধ ছাড়াই দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ‘বুম বুম আফ্রিদি’ নাম নিয়ে চিৎকার শুনতে হয় না দেশের সফলতম অধিনায়ককে। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশ হয়ে যেখানে লজ্জাকর ঘটনার স্পষ্ট প্রমান মেলে।

এই ম্যাচ শেষেই আবার প্রাক্তন অধিনায়ক ভারত-পাক ক্রিকেট সিরিজ নিয়ে নিজের মতামত রাখেন। ধোনি বলেন ,‘ক্রিকেটে ভারত-পাক দ্বৈরথ সবসময়ই রোমাঞ্চকর ও উপভোগ্য৷ আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে কিনা দুই দেশের সরকারের সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ৷’


Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Sunday, 26 November 2017

বাংলাদেশের জামালপুরে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ!



বাংলাদেশে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে মেলান্দহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ রোববার মোজাম্মেল হক (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা ।

আসামি মোজাম্মেল হক পেশায় ব্যবসায়ী। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্কুলছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে ওই স্কুলছাত্রী বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। এ সময় উপজেলার নয়ানগর এলাকার মোড় থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে মোজাম্মেল হক তাঁকে অপহরণ করেন। গাড়িটিতে তোলার পর মোজাম্মেল অচেতন করার রাসায়নিক মিশ্রিত একটি রুমাল ওই ছাত্রীর নাকে চেপে ধরে অজ্ঞান করে ফেলেন। এরপর কোনো একটি ঘরে তিন দিন আটকে রেখে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে গতকাল শনিবার বিকেলে দুরমুঠ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ওই ছাত্রীকে ফেলে যান মোজাম্মেল। স্থানীয় লোকজন ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে মেলান্দহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমি দরিদ্র মানুষ। মেয়েকে খুব কষ্টে লেখাপড়া করাই। বুধবার দুপুরে বিকেলে সে প্রাইভেট পড়তে যায়। এরপর থেকে মেয়ের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাইনি। শনিবার বিকেলে দুরমুঠ এলাকার লোকজনের কাছে খবর পাই, অসুস্থ অবস্থায় সেখানে আমার মেয়েকে কেউ ফেলে গেছে। নেশা দ্রব্য কিছু একটা মেয়েকে খাওয়ানো হয়েছিল। আমার মেয়েকে যারা-এমন অবস্থা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল করিম বলেন, ‘পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। স্কুলছাত্রীর বাবা অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ এনে থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

"জেলায় জেলায় পুলিশ সুপাররা তৃণমূলের জেলা সভাপতি! ওসি-রা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি": বিস্ফোরক বিজেপি নেতা মুকুল রায়



বাংলার রাজনৈতিক ‘ক্রিজে’ হাত খুলে ব্যাট চালানো শুরু করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ পরিবর্তনের বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পুলিশকে যে তৃণমূলের ‘ক্যাডারে’ পরিণত করেছে আক্ষরিক অর্থে তাই জানিয়ে দিলেন তিনি৷ হাওড়ার উলবেড়িয়ায় দলীয় জনসভা থেকে বোমা ফাটালেন, ‘‘জেলায় জেলায় পুলিশ সুপাররা তৃণমূলের জেলা সভাপতি! ওসি-রা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি!’’ একই সঙ্গে তীব্র শ্লেষের সঙ্গে রাজ্যের শাসকদলের প্রতি তাঁর কটাক্ষ, ‘‘তৃণমূল কোনও দল নয়, ওটা একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি!’’ যা শুনে হাততালিতে ফেটে পড়ল সমাবেশস্থল৷

২ বছর আগেই যে তিনি বিজেপিতে আসতে চেয়েছিলেন, এদিন তাও স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলের একদা চাণক্য৷ রীতিমতো কৈফিয়তের সুরে তিনি বলেন, ‘‘আমিও ওই সংস্থার কর্মী ছিলাম৷ আপনারা প্রশ্ন তুলতে পারেন- আগে বলেননি কেন?’’ জবাবও দিয়েছেন নিজেই, ‘‘১৫সালেই আসতে চেয়েছিলাম৷ কিন্তু তখন সুযোগ পাইনি৷’’

এদিন বেলাতেই সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিশ্ব বাংলা, জাগো বাংলা ইস্যুতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুকুল রায়৷ রীতিমতো তথ্য সহকারে জানিয়ে দেন, ‘‘ক্ষমতা থাকলে এই তথ্যর বিরুদ্ধে আদালতে গিয়ে দেখাক তৃণমূল৷’’ সাংবাদিক বৈঠকের মঞ্চ থেকেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘‘অপেক্ষা করুন৷ আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে৷ ধীরে ধীরে সবই সামনে আনব৷’’ এরপরই এদিন দুপুরে হাওড়ার উলবেড়িয়ার জনসভায় যোগ দেন তিনি৷

সভায় মুকুলবাবু অভিযোগ করেন, ‘‘বিরুদ্ধে বললেই পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷ পঞ্চায়েতে বিরোধীরা যাতে ভোট দিতে না পারে, শাসকদলের তরফে সেই প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে৷’’ পরিবর্তনের বাংলায় কোনও শিল্পের বিস্তার তো ঘটেইনি বরং রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রেও দলতন্ত্র কায়েম করেছে তৃণমূল৷ তৃণমূলের এক সময়ের ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ মুকুল রায় বলেন, ‘‘যে লক্ষ্যে পরিবর্তনের সরকার ক্ষমতায় এসেছিল, তা পূরণ হয়নি৷ বাংলায় বেকারত্ব বাড়ছে৷ যুব সমাজ বাইরে চলে যাচ্ছেন৷’’ এরপরই নাম না করে মমতাকে কটাক্ষ করে মুকুলের হুঁশিয়ারি, ‘‘বাংলায় উনি নাকি তেল ভাজা শিল্প করবেন! কি অদ্ভূত অবস্থা চলছে!’’
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

জঙ্গি হাফিজ সইদ মুক্তির আনন্দে রাস্তায়, ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’, ‘হাফিজ সইদ জিন্দাবাদ’, স্লোগান উঠল উত্তরপ্রদেশে



মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের মুক্তিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে। অভিযোগ, শুক্রবার শিবপুরী এলাকায় এই জঙ্গিনেতার মুক্তির আনন্দে রাস্তায় নামেন বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’, ‘হাফিজ সইদ জিন্দাবাদ’ স্লোগানও ওঠে।

এলাকায় পালটা জমায়েত করেছিলেন স্থানীয় হিন্দত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরাও। তবে পুলিশের তৎপরতায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এদিকে, হাফিজ সইদের জঙ্গিযোগের কথা স্বীকার করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর মাইকেল মোরেল। তাঁর বক্তব্য, হাফিজের হাতে রক্তের দাগ লেগে আছে। পাক-রাজনীতিতে জঙ্গিদের শামিল করতে চাইছে সে।

পাকিস্তানে প্রায় দশমাস গৃহবন্দি ছিলেন জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান হাফিজ সইদ ও তার চার অনুগামী। মার্কিন চাপে তার জঙ্গি কার্যকলাপের কথা স্বীকার করলেও, আদালতে কোনও জোরাল প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি পাকিস্তান সরকার।  তাই গত শুক্রবার হাফিজ সইদ ও তাঁর চার অনুগামীকে গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্তি দিয়েছে লাহোর হাই কোর্ট। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত। বস্তুত, হাফিজ সইদের মতো জঙ্গিনেতার মুক্তি আন্তর্জাতিক মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানে এখন ব্যাকফুটে।

এমনটাই মত কূটনৈতিক মহলের। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আশঙ্কাও জোরাল হচ্ছে পাক-প্রশাসনের অন্দরে। এই প্রেক্ষাপটে মুম্বই হামলার মূলচক্রীর মুক্তিতে উল্লাসের ছবি দেখা গেল বিজেপিশাসিত উত্তরপ্রদেশের একটি শহরে। পুলিশ জানিয়েছে, লখিমপুরের শিবপুরী এলাকার বেগম বাগ কলোনিতে হাফিস সইদের মুক্তিতে রাস্তায় নেমে পড়েন বেশ কয়েকজন। এলাকার বাড়িগুলিকে সবুজ পতাকা দিয়ে সাজানো হয়। পাকিস্তান জিন্দাবাদ, হাফিজ সইদ জিন্দাবাদ স্লোগানও ওঠে।

প্রথমে ঘটনাটিকে  অবশ্য তেমন গুরুত্ব দেয়নি পুলিশ। কিন্তু, এলাকায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরা পালটা জমায়েত করতেই পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেয়। খবর পৌঁছে যায় জেলাশাসকের দপ্তরে। এরপরই সক্রিয় হয় পুলিশ। স্থানীয় থানার এরক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি বাড়িতে সবুজ পতাকা উড়ছে। আমরা দ্রুত পতাকাগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরাদের জানানো হয়, গোটা ঘটনার তদন্ত হবে।’ জানা গিয়েছে, এলাকার বাসিন্দারা যে হাফিজ সইদের মুক্তি ‘উদযাপন’ করছিলেন, তার প্রমাণস্বরূপ একটি ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লখিমরপুরের ইমাম আসফাক কাদরি। তিনি বলেন, ‘ কেউ দেশবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিল কিনা, তা জানি না। একটি পরব উপলক্ষে অনেক বাড়িতে সবুজ পতাকা টাঙানো হয়েছিল। এরসঙ্গে হাফিজ সইদ বা পাকিস্তানের কোনও সম্পর্ক নেই।’

এদিকে এরইমধ্যে হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর মাইকেল মোরেল। তিনি স্পষ্টই বলেছেন, হাফিজ সইদ একজন জঙ্গি। লস্কর-ই-তৈবা-সহ কাশ্মীরের বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী ও আলকায়দার সঙ্গে যোগ রয়েছে তার। পাক-রাজনীতিতেও জঙ্গিদের শামিল করতে চাইছে এই জঙ্গি নেতা।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

‘‘আল্লার পরে আপনিই আমাদের শেষ ভরসা" টুইট এক পাকিস্তানি নাগরিকের, সাহায্যের আশ্বাস দিলেন সুষমা



ফের পাক নাগরিকের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সুষমা। টুইটারে সুষমার শরণাপন্ন হওয়া এক পাকিস্তানিকে মেডিক্যাল ভিসা পেতে সাহায্যের আশ্বাস দিলেন তিনি।

শাহজাইব ইকবাল নামে এক ব্যক্তি শনিবার বিদেশমন্ত্রী সুষমাকে টুইট করেন। তিনি লেখেন, তাঁর ভাইঝির লিভার প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন। ভারতে এসে চিকিৎসা করাতে চান তাঁরা। কিন্তু ভিসা পেতে সমস্যা হচ্ছে। এ বিষয়ে সুষমাকেই শেষ ভরসা হিসাবে সম্বোধন করে তিনি লেখেন, ‘‘আল্লার পরে আপনিই আমাদের শেষ ভরসা। দয়া করে ইসলামাবাদের ভারতীয় দূতাবাসকে অনুমতি দিন যাতে আমরা মেডিক্যাল ভিসা পেতে পারি।’’ ওই দিনই তাঁর টুইটের উত্তর দেন সুষমা। ‘‘ভারত আপনাকে আশাহত করবে না, খুব দ্রুত মেডিক্যাল ভিসা পেয়ে যাবেন,’’ পাল্টা টুইটে জানান সুষমা।

চিকিৎসার জন্য ভারতে আসতে চেয়ে এর আগে বহু বার পাক নাগরিকেরা সুষমার সাহায্য পেয়েছেন। দিন কয়েক আগে চার পাকিস্তানিকে চিকিৎসার জন্য ভারতে আসার ভিসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তিনি।
ভারতের ৭০ তম স্বাধীনতা দিবসে সুষমা স্বরাজ বার্তা দিয়েছিলেন, চিকিৎসার জন্য ভারতের দরজা সব সময়েই খোলা। পাশাপাশি ভারতে আসার বিষয়ে গড়িমসি করার জন্য পাকিস্তানের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সরতাজ আজিজকেও একহাত নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, ক্যানসার আক্রান্ত এক পাক-নাগরিককে ভারতে আসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দিতে গড়িমসি করছিল পাক প্রশাসন।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Wednesday, 22 November 2017

সুখোই যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া হল বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ব্রহ্মোস মিসাইল, বিশ্ব রেকর্ড করল ভারত



প্রথমবার সুখোই যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া হল সুপারসনিক ব্রহ্মোস মিসাইল। বিশ্বের দ্রুততম এই মিসাইল আর অত্যাধুনিক সুখোই-এর সাফল্যে বিশ্ব রেকর্ড করল ভারত। শত্রুপক্ষের উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাতে আরও বেশি করে প্রস্তুত হল ভারত। ডিআরডিও ও বায়ুসেনার এই সাফল্যকে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

সুখোই 30MKI ফাইটার জেটের রেঞ্জ ৩২০০ কিলোমিটার। এদিনের পরীক্ষায় সাফল্যের জেরে ভারত এবার জল, স্থল এবং আকাশ তিন জায়গা থেকেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করতে সমর্থ হল। ভারতে, এমনকি বিশ্বের মধ্যে প্রথমবার সুখোই বিমান থেকে ব্রহ্মোস উৎক্ষেপণ করা হল।

বঙ্গোপসাগরে টার্গেট করে এদিন মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়। শব্দের থেকে তিনগুণ বেশি গতিতে গিয়ে সমুদ্রে পড়ে এটি। এর ফলে যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার জন্য আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠল ভারতীয় বায়ুসেনা। ট্যুইট করে ডিআরডিও-কে অভিনন্দন জানালেন নির্মলা সীতারামণ।

ভারতের ডিআরডিও ও রাশিয়ার এনপিওএম যৌথ উদ্যোগে এই মিসাইল তৈরি করেছে। বায়ুসেনার তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, ব্রহ্মোসের সফল উৎক্ষেপণ সম্ভব হলে মোট ৪২টি সুখোই ফাইটার জেটকে ব্রহ্মোস মিসাইলে সাজানো হবে। এখনও পর্যন্ত রাশিয়ার থেকে ২৪০টি সুখোই যুদ্ধবিমান পেয়েছে ভারত। মোট ১২ বিলিয়ন ডলারে ২৭২টি ফাইটার জেট পাওয়ার কথা।

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সভায় বোরখা খুলে নেওয়া হল বিজেপি মহিলা সমর্থকের, বিতর্কে যোগী সরকার



বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় বোরখা পরে গিয়েছিলেন এক মহিলা। এই অপরাধে তাঁকে ওই পোশাক খোলাতে বাধ্য করল পুলিশ।




বালিয়ায় ওই জনসভায় দেখা যায় দর্শক আসনে বসে রয়েছেন সায়রা নামের এক মুসলিম মহিলা। যাঁর গলায় গেরুয়া রঙের উত্তরীয় ছিল। তাঁকে বোরখা পরা অবস্থায় দেখে তিন মহিলা পুলিশকর্মী এগিয়ে যান। বোরখা খোলার জন্য সায়রাকে রীতিমতো চাপ দেওয়া হয়। কার্যত বাধ্য হয় ওই বিজেপি সমর্থক বোরখা খোলেন। পুলিশকর্মীদের ইঙ্গিতে ওই সভায় থাকা আরও এক দর্শক ওই মহিলার বোরখা খোলার ব্যাপারে হাত লাগান। বোরখা ছাড়ার পর পুলিশকর্মীরা নিশ্চিন্ত হন। পরে এক পুরুষ পুলিশকর্মী এসে ওই বোরখাটি নিয়ে যান। পরে সায়রা জানান, তিনি বিজেপি সমর্থক। গ্রাম থেকে প্রথাগত পোশাক পরেই ওই সভায় এসেছিলেন। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর সামনে এমন ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ জুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরে ড্যামেজ কন্ট্রোল ওই মহিলাকে আসরে নামায় বিজেপি। সায়রা জানান, কালো রংয়ের পোশাক পরার জন্য পুলিশকর্মী তা খুলে ফেলতে বলেন। ওই এলাকায় হয়তো এধরনের কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিল। আমি এবং আমার স্বামী দীর্ঘদিনের বিজেপি কর্মী। এটা তেমন কোনও বিষয় নয়।

ভিডিওয় তিন পুলিশকর্মীর এমন আচরণ নিয়ে তোপের মুখে পড়েছে প্রশাসন। বালিয়ার পুলিশ সুপার অনিল কুমার এই প্রসঙ্গে জানান, এমন কোনও ঘটনার রিপোর্ট মেলেনি। তবে ওই সভায় কালো পতাকা নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। কোনও সমর্থকের বোরখা খুলে নেওয়া হলে তা অত্যন্ত অন্যায়। এই ঘটনায় তদন্ত করা হবে। তবে পুলিশ এমন ব্যাখ্যা দিলেও বেশ কিছু সংখ্যালঘু সংগঠন বিষয়টি নিয়ে বেজায় বিরক্ত। তাদের বক্তব্য, ধর্মীয় কারণে ওই মহিলা বোরখা পড়েছিলেন। এতে অপরাধ কোথায়?

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Tuesday, 21 November 2017

হিন্দুদের তাড়িয়ে কাশ্মীরকে স্বাধীন করব, হুমকি জামাত-উদ-দাওয়ার



ফের হুমকি দিল জামাত-উদ-দাওয়ার অন্যতম প্রধান আবদুল রহমান মাক্কি।

কাশ্মীরকে ‘স্বাধীন‘ করতে জামাত-উদ-দাওয়া সব সময় তৈরি। কাশ্মীরকে ‘স্বাধীন‘করতে জামাত রক্ত দিতেও কখনও পিছপা হবে না বলেও হুমকি দিয়েছে জামাত প্রধান মাক্কি।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ‘জিহাদের‘ সঙ্গে কেউ যাতে লড়তে না আসে, সে বিষয়েও সতর্ক করেছে আবদুল রহমান মাক্কি।পাশাপাশি, জিহাদকে ‘আল্লা‘ চালান বলেও দাবি করে আবদুল রহমান মাক্কি। শুধু তাই নয়, জিহাদকে যে বা যাঁরা বন্ধ করতে চান, আল্লা তাঁদের কখনও ছেড়ে দেয় না বলেও দেওয়া হয়েছে হুমকি। পাশাপাশি ‘হিন্দুদেরও দমিয়ে রাখতে হবে‘ বলেও মন্তব্য করে জামাত প্রধান।

পাকিস্তান কখনওই ভারতের বন্ধু হতে পারে না বলেও মন্তব্য করে মাক্কি। কাশ্মীর নিয়ে শুধু ভারতের বিরুদ্ধেই নয়, আমেরিকার বিরুদ্ধেও সুর চড়ায় মাক্কি। জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য বলে মার্কিন মুলুক ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে সুর চড়ালে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধেও আক্রমণ করে জেউডি প্রধান।

সম্প্রতি জামাত প্রধান হাফিজ সইদকে গৃহবন্দি করে পাকিস্তান। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আমেরিকার লাগাতার চাপের জেরেই শেষ পর্যন্ত হাফিজ সইদকে গৃহবন্দি করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।

ইসলামাবাদের পক্ষে সইদকে গৃহবন্দি করার পর পরই আরও সামনে উঠে আসে আবদুল রহমান মাক্কি। আর এবার নয়া জেউডি প্রধানের হুমকি ফের প্রকাশ্যে আসায় শুরু হয়েছে জল্পনা।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

উদ্বোধনের আগেই তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল করল বিজেপি, দল বেঁধে বিজেপিতে যোগ তৃণমূল কর্মীরা




তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সহ সভাপতি তাপস হালদারের নেতৃত্বে ১৫০ জনের বেশি তৃণমূল কর্মী সোমবার যোগ দেন বিজেপিতে।

উদ্বোধনের আগেই তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল করল বিজেপি। নেপথ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থানার কুন্দখালি গোদাবর গ্রাম পঞ্চায়েতের ট্যাংরাবিচি গ্রামে। মুকুল রায়ের পথ অনুসরণ করে এই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সহ সভাপতি তাপস হালদারের নেতৃত্বে ১৫০ জনের বেশি তৃণমূল কর্মী সোমবার যোগ দেন বিজেপিতে। পাশাপাশি স্থানীয় নব নির্মিত তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়টি বিজেপির কার্যালয় হিসেবেও ঘোষণা করা হয়। কাদা দিয়ে মুছে দেওয়া হয় দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক চিহ্ন। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বের জন্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে তাঁদের যোগদান বলে দাবি করেন সদ্য বিজেপিতে আসা তাপস হালদার ও তাঁর অনুগামীরা।

গত রবিবার এই কুন্দখালি গোদাবর অঞ্চলের ট্যাংরাবিচি গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের নবনির্মিত দলীয় কার্যালয়টি উদ্বোধনের কথা ছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসার কথা ছিল সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা, জয়নগর লোকসভার সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, কুলতলি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোপাল মাঝি-সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতাদের। দলীয় কার্যালয় উদ্বোধনের পর সেখানে একটি সভা করারও কথা ছিল তাঁদের।

রবিবার বিকেলে যথা সময়ে স্থানীয় প্রায় হাজার চারেক তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা ঘটনাস্থলে চলে এলেও দেখা পাওয়া যায়নি অতিথি তৃণমূল নেতাদের। বারংবার তাঁদের ফোন করেও মেলেনি কোনও উত্তর। ফলে অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি তাপস হালদারকে দলীয় কর্মী সমর্থকদের কাছে যথেষ্ট কটূকথা শুনতে হয় ও অপমানিত হতে হয়। সেই কারণে রাগে ক্ষোভে রবিবার রাতেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন এই তৃণমূল নেতা। রাতেই যোগাযোগ করেন স্থানীয় বিজেপি নেতা উত্তম হালদার, খোকন বণিক, বিনয়কৃষ্ণ দাসদের সঙ্গে।
সেই মোতাবেক সোমবার দুপুরেই বিজেপি নেতাদের উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের তৈরি মঞ্চেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন তাপস হালদার। সঙ্গে ছিলেন আরও প্রায় দেড়শো তৃণমূল কর্মী।

যদিও এ বিষয়ে কুলতলি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোপাল মাঝি বলেন, “ তাপস কোনও দিনই আমাদের দলের কোন পদে ছিল না। দলের অন্যান্য সাধারণ কর্মীর মতো একজন কর্মী ছিল। ওর ওখানে একটা ঘর বানিয়ে সেটাকে পার্টি অফিস করতে চেয়েছিল। কিন্তু ও ইদানীং সিপিএমের লোকজন নিয়ে দলের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে বুথের মধ্যে ঝামেলা করছিল। সেটা বসে মিটিয়ে দেব বলেছিলাম আমরা। আর ওর ওই কার্যালয়টি ঝামেলা মেটানোর পরই উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছিলাম। শুনেছি আজ ও সিপিএমের লোকজন নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে”।

এ বিষয়ে তাপসবাবু বলেন, “ তৃণমূল দলের নেতাদের কথার ঠিক নেই। দলকে ভালবেসে নিজের জমিতেই দলের কার্যালয় করেছিলাম। নেতারা আমাকে পথে বসিয়ে দিয়েছে। দলের মধ্যে কোন্দল চলছে। এক নেতাকে ডাকলে অন্যজন আসে না। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দিলাম।”

এ বিষয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা পূর্ব জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুনিপ দাস বলেন, “রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের ভাঙন অব্যাহত, এটা তার জ্বলন্ত উদাহরণ। যত পঞ্চায়েত ভোট এগোবে তৃণমূলের সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করবেন।”

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Sunday, 19 November 2017

প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রীতা কয়রাল, শোক টলিউডে



দীর্ঘদিন ধরে অসুখে ভুগে অবশেষে রবিবার প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রীতা কয়রাল। এদিন একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বহুদিন ধরেই মারণরোগ ক্যানসারে ভুগছিলেন। আর সেটাই কেড়ে নিল বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর প্রাণ।

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ রীতা কয়রাল। দীর্ঘদিন ধরেই টেলিভিশন ও সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে অভিনয় জীবনের বেশিরভাগ চরিত্রই ছিল নেগেটিভ। তবুও বাঙালীর ড্রয়িংরুমে তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত। নয়ের দশক থেকে মূলধারার সিনেমায় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগে ‘বেয়াদপ’ হোক কিংবা হালফিলের অঞ্জন দত্ত পরিচালিত ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’ বা ‘পারমিতার একদিন’, নিজস্ব অভিনয়ে জয় করেছেন দর্শকদের মন। তাঁর অভিনীত আরও বেশ কয়েকটি হিট সিনেমা হল- বড় বউ, অসুখ, গুন্ডা, জীবন নিয়ে খেলা, চিরদিনই তুমি যে আমার। ঋতুপর্ণ ঘোষের সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুধু সিনেমা নয়, সিরিয়ালের জগতেও বেশ নামডাক ছিল তাঁর। সম্প্রতি ‘রাখিবন্ধন’ সিরিয়ালেও ছিলেন অন্যতম মুখ্য চরিত্রে। সেখানেও তাঁর চরিত্র ছিল নেগেটিভ। সিনেমা, সিরিয়াল ছাড়াও একসময় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন বিভিন্ন যাত্রা এবং নাটকেও।



কিন্তু গত আগস্ট মাস থেকেই লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। ভরতি ছিলেন হাসপাতালে। কয়েকদিন আগেই বাড়িতে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। রবিবার ফের শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ফের একবার ভরতি করা হয় হাসপাতালে। কিন্তু জীবন যুদ্ধের লড়াই সেখানেই শেষ হয়ে গেল। টলিপাড়াকে অভিভাবকহীন করে চলে গেলেন রীতাদেবী। তাঁর মৃত্যুতে টালিগঞ্জে নেমেছে শোকের ছায়া।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

অর্থনীতিতে জাপানকে টপকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের



পরের দশকের মধ্যে অর্থনীতিতে জাপানকে টপকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের৷ ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ হতে পারে ভারত৷ একটি রিপোর্টে এই খবর প্রকাশ পেয়েছে৷

ইতিমধ্যেই ব্রিকস ইকোনমিতে ব্রাজিল ও রাশিয়াকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছে গিয়েছে ভারত৷ এদেশের স্থান রয়েছে চিনের পরেই৷ বিশ্ব অর্থনীতিতে ফ্রান্স ও ব্রিটেনকে টপকে গিয়েছে ভারত৷ ২০১৯ সালের মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ হয়ে উঠতে পারে৷ জার্মানির পরেই থাকতে পারে ভারতের নাম৷ ব্যাঙ্ক অফ আমেরিকার মেরিল লিঞ্চ রিপোর্টে জানিয়েছেন, “আমরা দেখেছি ডলারের হিসেবে GDP-র দিক থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে জার্মানি ও জাপানকে টপকে যাবে ভারত৷ পরের দশকে ভারতের অর্থনীতি ১০ শতাংশ বেড়ে যাবে৷ জাপানের বৃদ্ধির থেকে এই বৃদ্ধি ১.৬ শতাংশ বেশি৷”

গত বছর অর্থনীতি বন্ধ হয়েছিল ২.২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে৷ কিন্তু ২০২৮ সালের মধ্যে ভারত কীভাবে চিন ও আমেরিকার পর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ তবে ইন্ডিয়া ২০২৮: দা লাস্ট ব্রিকস ইন দা ওয়াল বইতে লেখা আছে, হিংসা, ফিনানশিয়াল ম্যাচিওরিটি ও আয় বাড়ার ফলে দেশের মূল চালিকা শক্তি বাড়বে৷ অর্থনীতির উন্নতি হবে সেখান থেকেই৷

প্রথমত, ডিপেন্ডেন্সি রেশিও বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের হার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে৷ দ্বিতীয়ত, ফিনানশিয়াল ম্যাচিওরিটির ফলেও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হবে৷ চূড়ান্ত পর্বে আয়ের বৃদ্ধির ফলে অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসবে৷ রিপোর্টে এমন তথ্যই প্রকাশ পেয়েছে৷

Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Saturday, 18 November 2017

জোর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য, বিষ পর্যন্ত খাইয়েছে স্বামী



মুম্বই: ফের প্রকাশ্যে লাভ জিহাদ? প্রাক্তন মডেল রশ্মি শাহবেজকর স্বামী আসিফ শাহবেজকরের বিরুদ্ধে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য জোর জবরদস্তি করার অভিযোগ করেছেন। এমনকী তিনি রাজি না হওয়ায় স্বামী তাঁকে বিষ খাইয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।



মুম্বইয়ের বাসিন্দা রশ্মির ১৩ বছর আগে বিয়ে হয় আসিফের সঙ্গে। প্রথমদিকে সব ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে আসিফ তাঁর ওপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। সন্তান জন্মের পর এই চাপ আরও বাড়ে। তাঁর অভিযোগ, আসিফ অপহরণ করেছেন তাঁদের ৭ বছরের ছেলেকে। এখন আসিফ অন্য এক হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করেছেন, তাঁকেও ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করছেন তিনি। তিনি রশ্মিকে হুমকি দিচ্ছেন, ধর্ম পাল্টাতে রাজি না হলে  বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া হবে।



রশ্মির অভিযোগ, আসিফ তাঁকে জোর করে বিষ খাইয়ে মারার চেষ্টা পর্যন্ত করেছেন। বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে তাঁকে চাপ দিতেন তিনি। তিনি বারবার কথামত টাকা এনে দিয়েছেন, তারপরেও তাঁকে মারধর, অত্যাচার সইতে হয়েছে।

রশ্মির অভিযোগ, তাঁর স্বামী আসলে লাভ জিহাদি। অন্য যে তরুণীকে এখন তিনি ফাঁসিয়েছেন, তাঁর বয়স ২৮, আসিফের ৪৭। সেই তরুণীর ধর্ম পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি এসএমএস রয়েছে রশ্মির কাছে। তাঁর অভিযোগ, মুনির নামে আসিফের এক বন্ধুও এই ঘটনায় জড়িত। তাঁর বক্তব্য, এরা প্রথমে তাঁর জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে, এখন অন্য আর একজনের সঙ্গেও এমনই করতে চলেছে। আসিফ নাকি তাঁকে খুনের হুমকিও দিয়েছেন, বলেছেন, কোথায় কোথায় তাঁর হাত রয়েছে, সে ব্যাপারে রশ্মির কোনও আন্দাজই নেই।

বান্দ্রা পুলিশ আসিফ ও মুনিরের নামে মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা। যদিও এ ব্যাপারে আসিফের কোনও বক্তব্য জানা যায়নি।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

প্রকাশ্যে এল কেন্দ্রের নয়া সংকল্প ‘ওয়ান বিলিয়ন’



আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা মুডি’জ ইনভেসটরস সার্ভিসের বিচারে নরেন্দ্র মোদির ভারতের রেটিং বাড়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কেন্দ্রের নয়া সংকল্প- ‘ওয়ান বিলিয়ন’ প্রকাশ্যে এল। নোট বাতিল, জিএসটি ও আধার বাধ্যতামূলক করার পিছনে কেন্দ্রের এত জোরাজুরির কারণও জানা গেল এবার।

কেন্দ্রীয় সরকার এখন ভারতে ওয়ান বিলিয়ন কানেকটিভিটি ভিশন চালুর পক্ষে জোরাল পদক্ষেপ করছে। কী এই নয়া প্রকল্প? এই প্রকল্পের অধীনে দেশে ১০০ কোটি মানুষের আধার নম্বরের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযোগ, আধার নম্বর ও স্থায়ী মোবাইল নম্বর চায় কেন্দ্র। স্বল্প মূল্যের প্রায় ৬ লক্ষ কোটি নোট বাতিল, ডিজিটাল লেনদেন চালু ও প্রত্যেকের জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালু করে কেন্দ্র এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে চায়। এই মডেলের পোশাকি নাম ‘ওয়ান প্লাস ওয়ান প্লাস ওয়ান’। অর্থাৎ, একজন ভারতীয় নাগরিকের কাছে তাঁর যাবতীয় প্রামাণ্য নথি থাকবে। কেন্দ্র ও রাজ্যের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পেতে যে কোনও একটি নথি দেখালেই একসঙ্গে অন্যান্য নথিরও ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।

তবে কেন্দ্রের তরফে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করার কোনও নির্দিষ্ট তারিখ এখনই প্রকাশ্যে আনা হয়নি। দেশজোড়া বিতর্কের মুখে তাড়াহুড়ো করতে নারাজ মোদি সরকার। নোট বাতিলের বর্ষপূর্তিতে জাতীয় অর্থনীতিতে এখন খানিকটা হলেও স্থিতাবস্থা ফিরে এসেছে। যার ফলাফল হিসাবে মুডি’জ রেটিংও চড়েছে। তাই এবার আরও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে ঝাঁপাতে চাইছে কেন্দ্র। আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযোগের শেষ তারিখ এগিয়ে আসছে। মোবাইল নম্বরের সঙ্গেও আধার লিঙ্ক করে ফেলতে হবে ২০১৮-র ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও কার্যত স্বস্তি দিয়েছে কেন্দ্রকে। প্যান কার্ডের উপরও নজরদারি শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশ থেকে হিসাব বহির্ভূত টাকা সরাতে ও স্থিতিশীল অর্থনীতি চালু করতেই ‘ওয়ান বিলিয়ন’ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে আনতে চায় নরেন্দ্র মোদির সরকার।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp

Friday, 17 November 2017

সাধুবাদ প্রাপ্য সরকারের, ভারত আর্থিক সংস্কারের প্রশ্নে সঠিক দিশায় চলেছে এবং বলিষ্ঠ পদক্ষেপ করছে



স্বস্তির মুহূর্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য। প্রধানমন্ত্রী নিজে এখনও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিবৃতি দেননি। কিন্তু নোটবন্দি থেকে জিএসটি, আধার সংযুক্তিকরণ থেকে জনধন— সরকারের প্রতিটি বড় অর্থনৈতিক পদক্ষেপে প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সহকর্মী অরুণ জেটলির মুখমণ্ডল প্রশস্ত হাসিতে উদ্ভাসিত, বয়ানে যুদ্ধজয়ের পরিতৃপ্তি। আচমকা যেন প্রবল আত্মবিশ্বাসী গোটা মন্ত্রিসভাই। মুডি’জ ইনভেস্টরস সার্ভিস ভারতীয় অর্থনীতিকে যে শংসাপত্র দিল, তা প্রবল শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠল যেন মোদী-জেটলি জুটির জন্য। এমন এক অস্ত্র হাতে পেলেন নরেন্দ্র মোদীরা, যা বিরোধীদের এবং সমালোচকদের যাবতীয় আক্রমণকে এক লহমায় ভোঁতা করে দিতে সক্ষম, একই সঙ্গে বিরোধিতার দুর্গে বিধ্বংসী আঘাত হানতেও সমর্থ। মোদীর হাসি চওড়া হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক।

নোটবন্দি থেকে জিএসটি প্রবর্তন— একের পর এক বৃহৎ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করছিল মোদী সরকার, ক্রমশ তীব্র এবং ঐক্যবদ্ধ হচ্ছিল বিরোধী কণ্ঠস্বরও। সরকারি পদক্ষেপগুলো সাধারণ নাগরিকের জীবনে যে সব নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল, সেগুলোকে তুলে ধরেই সরব হচ্ছিল বিরোধী শিবির। দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার যে ভাবে ৭.৯ শতাংশ থেকে ৫.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, তা নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়ে গিয়েছিল। সরকার নিজের মতো করে প্রতিটি পদক্ষেপের স্বপক্ষে যুক্তি সাজানোর নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সে সব যুক্তি অনেক ক্ষেত্রেই খুব গ্রহণযোগ্য ঠেকছিল না বিশেষজ্ঞ মহলের বড় অংশের কাছে। সরকারের ভঙ্গিতেও আত্মবিশ্বাসের যথেষ্ট অভাব ছিল। মুডি’জ রেটিং লহমায় বদলে দিল ছবিটা। বিরোধী শিবিরের প্রবল রব আচম্বিতে স্বব্ধ যেন। আর সরকারের ভাবভঙ্গি যেন মুহূর্তে উজ্জ্বল এবং আত্মবিশ্বাসী।

তা হলে কি বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ এবং সমালোচনা ভিত্তিহীন ছিল? নোটবন্দি বা জিএসটি-তে কারও কোনও সমস্যা কি হয়নি? সমস্যা অবশ্যই হয়েছে। সাধারণ নাগরিক যে দৈনন্দিন জীবন চালাতে গিয়ে আতান্তরে পড়েছেন, সে আমরা সকলেই দেখেছি। দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হারও যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে, সেও কারও অজানা নয়। কিন্তু মুডি’জ রেটিং-য়ে ভারতের উত্থানের পর সরকার খুব জোর দিয়ে এ কথা বলার সুযোগ পেয়ে গিয়েছে যে, সরকার সাহসী এবং উপযুক্ত পদক্ষেপই করেছে। সাময়িক কষ্ট ভোগ করতে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে লাভই অপেক্ষায় রয়েছে। আর নতুন হাতিয়ারে সমৃদ্ধ সরকার পক্ষের সামনে বিরোধী শিবির মানসিক ভাবে যেন দুর্বল হয়ে পড়েছে।

মুডি’জ রেটিং-য়ে ভারতের উত্থানের খবর যখন আসে, তখন ইতিবাচক এবং গৌরবজনক অনুভূতি তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, ভারত আর্থিক সংস্কারের প্রশ্নে সঠিক দিশায় চলেছে এবং বলিষ্ঠ পদক্ষেপ করছে। তার জেরে ভারতীয় অর্থনীতির ছবিটা বিশ্বের সামনে উজ্জ্বল হচ্ছে। এ নিশ্চয়ই একটি ইতিবাচক বিষয়।

ইতিবাচক সন্ধিক্ষণে পৌঁছল দেশের অর্থনীতি । ভারতীয় অর্থব্যবস্থার ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে আগের চেয়েও উজ্জ্বল করে তোলার কৃতিত্ব মোদী সরকার দাবি করতেই পারে।

এই অর্জনের জন্য সরকারকে সাধুবাদ। এই অর্জন এমন এক সময়ে এল, যখন প্রধানমন্ত্রীর নিজের রাজ্য ভোটমুখী। নির্বাচনে সুফল পাবেন মোদীরা, ধারণা বিশেজ্ঞদের।
জাতীয় অর্থনীতি যে আগের তুলনায় মজবুত হয়েছে, এবং তার যে কিছু সুফল রয়েছে, দেশের নাগরিক তা প্রত্যক্ষ ভাবে উপলব্ধি করার অপেক্ষায়।
Share This:   Facebook   Twitter   Google+   Stumble   Digg    Whatsapp